1 Answers

হযরত নূহ (আ) শত্রু ও অত্যাচারীদের ক্ষমা করে সত্যের পথে ফিরিয়ে আনার মানসিকতার দিক দিয়ে হযরত মুহম্মদ (স.) থেকে ভিন্ন। 

মানবতাবাদী মানুষ সবার প্রিয়পাত্র হন। উন্নত চরিত্রের প্রকাশ ঘটিয়ে তিনি সবার বিশ্বাস অর্জন করেন। উদার মানবিকতাবোধসম্পন্ন ক্ষমাশীল ব্যক্তি সহজেই মানুষের মাঝে মানবকল্যাণের বাণী ছড়িয়ে দিতে পারেন। আর সত্য ও ন্যায়ের পথ দেখিয়ে তাদেরকে মনুষ্যত্বের অধিকারী করতে পারেন।

উদ্দীপকে শত্রুর অত্যাচারে হযরত নূহ (আ) অত্যাচারকারীদের ধ্বংসের জন্য যে প্রার্থনা করেছিলেন, সে বিষয়টি বর্ণনা করা হয়েছে। 0 0 তাঁর প্রতি বিশ্বাসী মাত্র চল্লিশজন মানুষ ছাড়া বাকিরা আল্লাহর হুকুমে ধ্বংস হয়ে যায়। এখানে হযরত নূহ (আ)-এর অধৈর্যশীলতা এবং মানবতাবোধের দীনতা প্রকাশ পেয়েছে। এই বিষয়টি হযরত মুহম্মদ (স.)-এর আচরণের সম্পূর্ণ বিপরীত এবং ভিন্ন। কারণ হযরত মুহম্মদ (স.) শত্রুর প্রচণ্ড অত্যাচারে জর্জরিত হয়েও তার ধ্বংস কামনা করতেন না। বরং তাদের অপরাধ ক্ষমা করে দেওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতেন; বলতেন- এদের জ্ঞান দাও প্রভু, এদের ক্ষমা কর।

8 views

Related Questions