1 Answers
আব্দুল গণি সাহেবের কর্মে ইসলামের তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান (রা.)-এর জীবনের প্রতিফলন ঘটেছে।
হযরত উসমান (রা.) আরবদের শ্রেষ্ঠ ধনীদের একজন ছিলেন। ৩৪ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণের পর তাঁর সম্পদ অকাতরে মানবসেবা ও ইসলামের জন্য ব্যয় করেছেন। তিনি মদিনাবাসীর পানির অভাব দূর করার জন্য ১৮০০০ স্বর্ণমুদ্রা দিয়ে রুমা কূপ কিনে তা ওয়াকফ করে দেন। মদিনায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে প্রচুর খাবার বিতরণ করেন। ব্যক্তিগত খরচে মসজিদে নবির সম্প্রসারণ করেন। তাবুক যুদ্ধে ১০০০০ হাজার মুজাহিদের ব্যয়ভার একাই বহন করেন এবং এক হাজার উট দান করেন। এমনিভাবে হযরত উসমান (রা.) তাঁর দানের হস্ত সর্বদা উন্মুক্ত রাখেন।
উদ্দীপকের আব্দুল গণি সাহেব তার এলাকার মানুষের পানির অভাব দূর করতে দশ লক্ষ টাকা ব্যয় করে পানির পাম্প স্থাপন করে দেন। এলাকার মসজিদটি মুসল্লিদের তুলনায় ছোট হওয়ায় নিজ অর্থ ব্যয়ে মসজিদ সম্প্রসারিত করে দেন।
আব্দুল গণি সাহেবের উক্ত কাজগুলো হযরত উসমান (রা.)-এর জীবনাদর্শের অনুরূপ। হযরত উসমান (রা.) দানের ক্ষেত্রে যেমন দিল দরিয়া ছিলেন, তেমনি আব্দুল গণি সাহেবও তার পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকের আব্দুল গণি সাহেবের কর্মে হযরত উসমান (রা).-এর জীবনের প্রতিফলন ঘটেছে।