1 Answers
আজহার সাহেব অকাতরে বৃক্ষরোপণ করেন এবং বিভিন্ন প্রকার ফসল আবাদ করেন। তার এসব কর্মের ফল খুবই সুন্দর। তার এসব কাজ সাদকাহ হিসেবে গণ্য হবে।
কারণ হাদিসে আছে-
مَا مِنْ مُسْلِمٍ يَفْرِسُ غَرْسًاً أَوْ يَزْعُ زَرْعًا فَيَأْكُلْ مِنْهُ طَيْرٌ أَوْ إِنْسَانُ أَوْ بَهِيمَةُ إِلَّا كَانَ لَهُ بِهِ صَدَقَةٌ
অর্থ : "কোনো মুসলমান যদি গাছ রোপণ করে অথবা কোনো ফসল আবাদ করে এবং তা থেকে কোনো পাখি বা মানুষ অথবা চতুষ্পদ জন্তু ভক্ষণ করে তবে তা তার জন্য সাদকারূপে গণ্য হবে।" তাই আজহার সাহেবের লাগানো এ গাছের ফল কোনো মানুষ বা পশুপাখি ভক্ষণ করলে বা কোনো পথচারী ছায়ায় আশ্রয় গ্রহণ করলে এর সওয়াব আজহার সাহেব পেতে থাকবেন।
অন্যদিকে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে বিভিন্ন উপায়ে মানবকল্যাণ সাধিত হয়ে থাকে। যেমন- প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষের অবদান সর্বাধিক। অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, মরুকরণ, নদীভাঙন ইত্যাদি প্রতিরোধে গাছের অবদান অনস্বীকার্য। তাছাড়া বৃক্ষ মানুষকে ছায়া, জ্বালানি, গৃহনির্মাণসামগ্রী, খাদ্য, পুষ্টি ও অতি প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং বিষাক্ত কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস শোষণপূর্বক মানুষের জীবন রক্ষা করে। এছাড়া বৃক্ষ দ্বারা বিভিন্ন উপায়ে প্রাণিকুল উপকৃত হয়ে থাকে। এজন্য বৃক্ষরোপণ এক অন্যতম ইবাদত হিসেবে পরিগণিত হয়।
সুতরাং একথা বলা যায়, আজহার সাহেব তার কর্মের মাধ্যমে সাদাকার সওয়াব পাবেন।