1 Answers

আদনান সাহেব পবিত্র কুরআন ও মহানবি (স.)-কে ঠাট্টা উপহাস করেন। তার এ উপহাস কুফরির অন্তর্ভুক্ত। রাসুল (স.)- এর যুগে মক্কার কাফিররা আদনান সাহেবের মতো ঠাট্টাবিদ্রুপ করত। এ সম্পর্কে পবিত্র কুরআনের সূরা মুতাফ ফিফিনের ২৯-৩৩ নং আয়াতে বলা হয়েছে- “নিশ্চয় পাপাচারীরা দুনিয়াতে মুমিনদের নিয়ে উপহাস করত। আর যখন পার্শ্ব অতিক্রম করত চোখ টিপত। আর যখন নিজগৃহে ফিরে যেত তখন আপনজনদের সাথে হাসি-ঠাট্টা করত। আর যখন তাদেরকে দেখত, তখন তারা বলত নিশ্চয় এরা পথভ্রষ্ট।”

আদনান সাহেব কর্মকান্ডের পরিণতি হলো-দুনিয়াতে সে কাফির হিসেবে গণ্য হবে এবং পরকালে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে। তার এ কর্মকান্ডের জন্য আরও যেসব কুফল দেখা দিবে তা হলো-

আদনান সাহেব আল্লাহ তায়ালাকে অবিশ্বাস করে, তার নিয়ামত অস্বীকার করে। সে আল্লাহ তায়ালার প্রতি অকৃতজ্ঞ হয়। সে আল্লাহ তায়ালার বিধিনিষেধ অমান্য করার কারণে সমাজে সে অবাধ্য ও অকৃতজ্ঞ হিসেবে পরিচিত হবে। আদনান সাহেবের নিকট দুনিয়ার জীবনই প্রধান। সুতরাং দুনিয়ায় ধনসম্পদের ও আরাম আয়েশের লোভে সে নানারকম অসৎ ও অশ্লীল কাজে জড়িয়ে পড়তে পারে। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, সন্ত্রাস, সুদ-ঘুষ, জুয়া ইত্যাদিতে সে অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারে। আদনান সাহেব আল্লাহ তায়ালা ও তকদিরে অবিশ্বাস করে। ফলে সে যেকোনো বিপদে-আপদে ধৈর্যহারা হয়ে পড়ে। অন্যদিকে, তকদিরে বিশ্বাস না থাকায় যেকোনো ব্যর্থতায় সে চরম হতাশ হয়ে পড়ে। ফলে তার জীবন চরম হতাশার মধ্যে অতিবাহিত হয়। আদনান সাহেবের আখিরাত, জান্নাত ও জাহান্নামে বিশ্বাস না থাকায় দুনিয়ার স্বার্থে মিথ্যাচার, অনাচার, ব্যভিচার ইত্যাদি যেকোনো পাপ ও অনৈতিক কাজ সে বিনা দ্বিধায় করতে পারে। এভাবে তার মাধ্যমে সমাজে অনৈতিকতার প্রসার ঘটে। আদনান সাহেব আল্লাহ তায়ালার বিধি বিধান ও আদেশ-নিষেধের কোনো পরোয়া করে না। বরং আল্লাহ তায়ালা, ইসলাম ও মুসলমানদের সাথে বিদ্রোহ ও বিরোধিতা করে। ফলে আল্লাহ তায়ালা তার প্রতি অসন্তুষ্ট হন।

সুতরাং এটি সুস্পষ্টভাবে বলা যায়, আদনান সাহেবের কর্মকান্ডের পরিণাম ও কুফল অত্যন্ত ভয়ংকর।

5 views

Related Questions