1 Answers

সাকী বেগমের কর্মকাণ্ডটি নিফাকের শামিল। আর এর পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ।

নিফাক একটি মারাত্মক পাপ। এটি মানুষের চরিত্র ও নৈতিকতা ধ্বংস করে দেয়। এর ফলে মানুষ মিথ্যাচারে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, "আর আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, মুনাফিকরা নিঃসন্দেহে মিথ্যাবাদী।” (সূরা আল-মুনাফিকুন: ১)

মিথ্যার পাশাপাশি মুনাফিকরা অন্যান্য খারাপ ও অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ে। পার্থিব লোভ-লালসা ও স্বার্থরক্ষায় তারা মানুষের অকল্যাণ করতেও পিছপা হয় না। তারা পরনিন্দা ও পরচর্চা করে। ফলে সমাজে সন্দেহ ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। মুনাফিকরা ভেতরে এক আর বাইরে অন্য রকম হওয়ায় লোকজন তাদের বিশ্বাস করে না। বরং সন্দেহ ও ঘৃণার চোখে দেখে। সমাজের মানুষের নিকট তারা অপমানিত ও লাঞ্ছিত হয়ে জীবন কাটায়। তারা ইসলাম ও মুসলমানগণের সাথে থেকেও আল্লাহ তায়ালার অবাধ্য ছিল। পরকালীন জীবনে মুনাফিকদের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। তাদের পরিণতি সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “নিশ্চয়ই মুনাফিকরা জাহান্নামের সর্ব নিম্নস্তরে থাকবে।” (সূরা আন-নিসা: ১৪৫)

উদ্দীপকের মুরগি ব্যবসায়ী সাকী বেগম ওজন বাড়াতে মুরগির শরীরে বিষাক্ত ওষুধ প্রবেশ করান। আবার বিভিন্ন হোটেলে মরা মুরগি সরবরাহ করেন। তার এসব কর্মকান্ডে প্রতারণা তথা নিফাকের শামিল।

সাকী বেগম মূলত নিফাকের সাথে জড়িত। আর নিফাককারীর জন্য পরকালে রয়েছে ভয়াবহ শাস্তি।

4 views

Related Questions