1 Answers
আজিমের সুদের ব্যবসার পরকালীন পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ।
মহান আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন আর সুদকে হারাম করেছেন। সুদ সমাজে বৈষম্যের হাতিয়ার। এর ফলে ধনী আরও ধনী, গরিব আরও গরিবে পরিণত হয়। সুদ সমাজের অগ্রগতির জন্য অন্তরায়। শুধু দুনিয়াবি জীবনে নয়, পরকালীন জীবনেও এর জন্য কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে। রাসুল (স.) ইরশাদ করেন, যে সমাজে যিনা/ব্যভিচার ও সুদ ছড়িয়ে পড়ে, তার অধিবাসীরা দুর্ভিক্ষের করাল গ্রাসে নিপতিত হয়। সুদ গ্রহণকারী সর্বদা হারাম ভক্ষণ করে। আর হারাম ভক্ষণকারীর শরীর জান্নাতে প্রবেশ করবে না। সুদের সাথে সম্পর্কিত সকল বিষয়কে আল্লাহর রাসুল অভিসম্পাত দিয়েছেন। এ ব্যাপারে মুসলিম শরিফে উল্লেখ আছে, “নবি করিম (স.) সুদখোর, সুদদাতা, সুদের চুক্তি লেখক ও সুদি লেনদেনের সাক্ষীকে অভিশাপ দিয়েছেন।” (মুসলিম)
যেহেতু তিনি এ শ্রেণির লোকদের অভিশাপ দিয়েছেন, সেহেতু হাশরের দিন তাদের পক্ষে রাসুলের 'শাফাআত' পাওয়া দুরূহ ব্যাপার। উদ্দীপকের আজিমও সুদের ব্যবসার জন্য এ অভিশপ্ত শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হবে।
তাই আমরা বলতে পারি, সুদের ব্যবসার জন্য আজিমের পরকালীন পরিণতি অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক হবে। সেখানে অনন্ত শাস্তি ভোগ করবে।