1 Answers

উদ্দীপকে মাহমুদ আল্লাহ তায়ালার পাশাপাশি বিত্তবানদের রিযিকদাতা মনে করেন এবং ফেরেশতাদের জগৎ পরিচালনাকারী হিসেবে মনে করেন। মাহমুদের 'এরূপ বিশ্বাস শিরক হিসেবে গণ্য হবে। আর শিরক করার কারণে মাহমুদ পরকালে জাহান্নামের কঠোর শাস্তি ভোগ করবেন।

শিরক অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ। পৃথিবীর সকল প্রকার জুলুমের মধ্যে সবচেয়ে বড় জুলুম হলো শিরক। আল্লাহ তায়ালা বলেন-

إِنَّ الشَّرْكَ لَظُلْمٌ عَظِيمٌ - 

অর্থ : “নিশ্চয়ই শিরক চরম জুলুম।” (সূরা লুকমান : ১৩) আল্লাহ তায়ালা মুশরিকদের প্রতি খুবই অসন্তুষ্ট। তিনি অপার ক্ষমাশীল ও অসীম দয়ালু হওয়া সত্ত্বেও শিরকের অপরাধ ক্ষমা করেন না। আল্লাহ তায়ালা বলেন-

إِنَّ اللَّهَ لَا يَغْفِرُ أَنْ يُشْرَكَ بِهِ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَلِكَ لِمَنْ يَشَاءُ

অর্থ : “নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শিরক করার অপরাধ ক্ষমা করেন না। এতদ্ব্যতীত যেকোনো পাপ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন।" (সূরা আন-নিসা : ৪৮)

শিরক সম্পর্কে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, "যদি তোমাকে হত্যা করা হয় এবং জ্বালিয়েও দেওয়া হয় তারপরও আল্লাহর সাথে তুমি কাউকে শরিক করবে না।” তিনি আরও ইরশাদ করেন, "আল্লাহর সাথে শরিক করা, মাতা-পিতার নাফরমানি করা, কাউকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা এবং অতীত কাজের ওপর মিথ্যা শপথ করা কবিরা গুনাহসমূহের মধ্য অন্যতম।”

5 views

Related Questions