1 Answers
উদ্দীপকের ইমাম সাহেবের বক্তব্য হলো পবিত্র কুরআনের বক্তব্যের প্রতিধ্বনি। তিনি পবিত্র কুরআনের সূরা হাশরের ৭নং আয়াত তিলাওয়াত করে তার অর্থ বর্ণনা করেছেন। তাই তার কথা সম্পূর্ণরূপে যথার্থ। ইসলামকে সঠিকভাবে জানতে হলে এবং যথাযথভাবে মানতে হলে আল্লাহর রাসুলের দেওয়া বিধিবিধান অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহর নির্দেশগুলো অনুধাবন করা যেতে পারে। যেমন-
১. "আপনার রবের শপথ। তারা ইমানদার হতে পারবে না। যদি না তারা আপনাকে তাদের পারস্পারিক যাবতীয় ব্যাপারে বিচারক ও সিদ্ধান্তকারীরূপে মেনে নেয়। আপনার সিদ্ধান্ত বা ফায়সালা সম্পর্কে মনে কোনো দ্বিধা করে না এবং তা সম্পূর্ণরূপে মেনে নেয়।” (সূরা আন-নিসা : ৬৫)
২. "আপনি বলুন, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে মেনে চল।” (সূরা আলে-ইমরান: ৩২)
৩. "আমি-রাসুল পাঠিয়েছি এ উদ্দেশ্যে যে, আল্লাহর অনুমতিক্রমে তাঁকে অনুসরণ করা হবে- তাঁকে মেনে চলা হবে।” (সূরা আন-নিসা : ৬৪)
৪. "নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য রাসুলুল্লাহর মধ্যে রয়েছে আদর্শ।” (সূরা আল-আহযাব : ২১)
৫. "তিনি প্রবৃত্তির বশে কিছু বলেন না। তা তো কেবল ওহি, যা তাঁর কাছে প্রত্যাদেশ করা হয়।" (সূরা আন-নাজম : ৩-৪)
৬. “হে নবি আপনার প্রতি উপদেশ নাজিল করেছি, এজন্য যে আপনি মানুষের সম্মুখে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করবেন। আর এজন্য যে, তারা যেন চিন্তা গবেষণা করে।" (সূরা আন-নাহল : ৪৪)
রাসুল (স.)-এর হাদিসও ইমাম সাহেবের বক্তব্যের যথার্থতা নিরূপণ করে। রাসুল (স.) বলেন,
১. দুটি জিনিস, যা আমি তোমাদের মাঝে রেখে যাচ্ছি, তোমরা যতক্ষণ এ দুটি জিনিস দৃঢ়ভাবে ধারণ করবে ততক্ষণ তোমরা পথভ্রষ্ট হবে না। তাহলো আল্লাহর কিতাব ও তাঁর রাসুলের সুন্নত।
২. তোমাদের কেউই ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি অধিক প্রিয় হব তার পিতামাতা, সন্তান ও সব-মানুষ হতে।
সুতরাং মুমিন হওয়ার পূর্বশর্ত হলো রাসুলকে ভালোবাসা এবং রাসুলের সুন্নাতের অনুসরণ করা। শুধু কুরআন জানা ও মানা যথেষ্ট নয়।