1 Answers
ইমাম সাহেবের বক্তব্য ও উদ্দীপকের সুফিয়ানের বক্তব্য একই - এবং তা যথার্থই সঠিক।
আল্লাহ তায়ালা যুগে যুগে অসংখ্য অগণিত নবি-রাসুল প্রেরণ করেছেন। তাঁদের উদ্দেশ্যহীনভাবে দুনিয়ায় প্রেরণ করা হয়নি বরং তারা নবুয়ত ও রিসালাতের দায়িত্ব পালন করেছেন। নবি-রাসুল ছিলেন আল্লাহ তায়ালার মনোনীত বান্দা। আল্লাহ তায়ালা স্বয়ং তাদের নবুয়ত ও রিসালাতের দায়িত্ব পালনের জন্য নির্বাচিত করেছেন। উদ্দীপকে নবি-রাসুলগণের আগমন নিয়ে দুই বন্ধুকে কথা বলতে দেখা যায়। এখানে সুফিয়ানের বক্তব্য ইসলামি শরিয়তভিত্তিক হলেও তার বন্ধুর বক্তব্য ছিল তার বিপরীত। এ কারণেই ইমাম সাহেব পবিত্র কুরআনের একটি ঘোষণা উল্লেখ করেন রায়হানের উদ্দেশ্যে। তা হলো মহানবি (স.) হলেন আল্লাহর রাসুল এবং সর্বশেষ নবি, আর এটিই চিরসত্য ঘোষণা। কেননা নবুয়তের ধারার সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবি হলেন আমাদের প্রিয়নবি হযরত মুহাম্মদ (স.)। তিনি ছিলেন অনন্য বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। দুনিয়াতে আগমনকারী সব নবি-রাসুলই কোনো বিশেষ গোত্র, বিশেষ দেশ, নির্দিষ্ট সময়ে জন্য দায়িত্ব নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু হযরত মুহাম্মদ (স.) ছিলেন সারা বিশ্বের সকল স্থানের সকল মানুষের নবি। তিনি বিশ্বনবি। তিনি ছিলেন সর্বকালের নবি। কিয়ামত পর্যন্ত যত মানুষ আগমন করবে সকলের নবি তিনিই। তাঁর শিক্ষা, আদর্শ ও আনীত কিতাব আল কুরআন 'সকলেই অনুসরণ করতে হবে। তিনি রহমতের নবি। মানবজাতির জন্য তিনি আল্লাহ তায়ালার বিশেষ নিয়ামত ও অনুগ্রহস্বরূপ।
পরিশেষে বলা যায়, আমাদের প্রিয় নবি হযরত মুহাম্মদ (স.) ছিলেন সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবি। হযরত মুহাম্মদ (স.)-কে সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবি হিসেবে বিশ্বাস করা প্রত্যেক মুসলমানের ইমানি কর্তব্য।