1 Answers
আফতাবের ধারণা, পৃথিবীতে যখন মানবতার চরম বিপর্যয় ঘটবে তখন আল্লাহ মানুষের হিদায়েতের জন্য নবি-রাসুল প্রেরণ করবেন এবং কিয়ামত পর্যন্ত এ ধারা অব্যাহত থাকবে। আফতাবের এ ধারণা কুরআন ও হাদিসের পরিপন্থি হওয়ায় সে ইমানহারা হবে। সে আর মুমিন বা মুসলিম থাকবে না। সে কাফির হিসেবে পরিগণিত হবে। কুফরির পরিণতি খুবই ভয়াবহ।
কারণ কুফরি জঘন্য অপরাধ। তাই এর শাস্তিও কঠোর। কুরআন মাজিদে এর ভয়াবহ শাস্তির কথা উল্লেখ রয়েছে। যেমন-
১. যারা কুফরি করে তাদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে আগুনের পোশাক, তাদের মাথার উপর ঢেলে দেওয়া হবে ফুটন্ত পানি, যা দিয়ে তাদের উদরে যা আছে তা এবং তাদের চামড়া বিগলিত করা হবে এবং তাদের জন্য থাকবে লোহার মুগুর। যখনই তারা যন্ত্রণা কাতর হয়ে জাহান্নাম থেকে বের হতে চাইবে তখনই তাদেরকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে তাতে এবং তাদেরকে বলা হবে, আস্বাদ কর দহন যন্ত্রণা। (সূরা আল-হাজ্জ: ১৯-২২)
২. আর যারা কুফরি করে তাগূত তাদের অভিভাবক। তারা তাদেরকে আলো থেকে অন্ধকারে নিয়ে যায়। তারা জাহান্নামি, সেখানে তারা স্থায়ী হবে। (সূরা আল-বাকারা : ২৫৭)
কুফরি ইমানের বিপরীত, তাই কুফরির জঘন্য পরিণতি সম্পর্কে বিভিন্ন হাদিসে বিস্তারিত আলোচিত হয়েছে। যেমন-
সুলায়মান ইব্ন হারব (র.) আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স.) বলেন, তিনটি গুণ যার মধ্যে থাকে, সে ইমানের স্বাদ পায়-
. যার কাছে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল অন্য সবকিছু থেকে, প্রিয়;
২. যে একমাত্র আল্লাহরই জন্য কোনো বান্দাকে মহব্বত করে এবং
৩. আল্লাহ তায়ালা কুফর থেকে মুক্তি দেওয়ার পর যে কুফরে ফিরে যাওয়াকে আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়ার মতোই অপছন্দ করে।