1 Answers

উদ্দীপকে তপনদের বাড়িও নালার ধারে। তারা নালাটি পরিষ্কার রাখে। বাস্তব বিষয়ের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে এবং ভূত-প্রেত অবিশ্বাস করে। অন্যদিকে রিপনদের বাড়ি স্বপন ও তপনদের বাড়ি থেকে দূরে। রিপনের বাবা আততায়ীর আঘাতে মারা গেলে DNA পরীক্ষার মাধ্যমে আততায়ীকে F শনাক্ত করতে সমর্থ হয়।

এখানে তপনদের বাড়ির ধারণাটি বাস্তব কারণ এবং রিপনদের বাড়ির ধারণাটি সংকট উত্তরক দৃষ্টান্ত ধারণার সাথে সম্পর্কিত। বিষয়টি নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- বাস্তব কারণ অর্থ সত্যিকার কারণ, প্রকৃত কারণ বা অস্তিত্বশীল কারণ। যে কোনো প্রকল্পকে বৈধ ও সুসঙ্গত হতে •হলে অবশ্যই তা বাস্তব কারণভিত্তিক হতে হয়। বাস্তবে যার অস্তিত্ব নেই এমন কারণকে কখনো প্রকল্প হিসেবে গ্রহণ করা যায় না। বাস্তব কারণ হলো সেই কারণ, যেগুলো ইন্দ্রিয়লব্ধ ও ইন্দ্রিয় দিয়ে পরখ করা যায়। অর্থাৎ প্রত্যক্ষ করা না গেলেও অনুভব করা যায়, অবস্থার উপলব্ধি করা যায়। যেমন : একটি শিশু হারিয়ে গেলে প্রকল্প গঠন করা হয়, শিশুটিকে ভূতে নিয়ে গেছে; তাহলে প্রকল্পটি বাস্তব কারণভিত্তিক হবে না। সে কারণেই তপনদের বাড়ির ধারণাটি বাস্তব কারণভিত্তিক। কেননা তারা ভূতপ্রেতে বিশ্বাস করে না।

অন্যদিকে কোনো বিষয় বা ঘটনাকে ব্যাখ্যা করার সময় একাধিক প্রকল্প তৈরি করা হয়। একটি প্রকল্প তৈরি করলে আরেকটি প্রকল্প এসে ভিড় করে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করে। তখন প্রতিযোগী প্রকল্পগুলোর মধ্যে কোনটি সত্য, কোনটি মিথ্যা তা নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হলে কোনো একটি বিশেষ ঘটনা সংকট নিরসনে এগিয়ে আসে। এ ধরনের বিশেষ ঘটনাকে সংকট উত্তরক দৃষ্টান্ত বলা হয়। উদ্দীপকে DNA পরীক্ষার মাধ্যমে আততায়ীকে শনাক্ত করা একটি সংকট উত্তরক দৃষ্টান্ত। কেননা, রিপনের বাবার আততায়ীকে শনাক্ত করতে না পারায় সংকট তৈরি হয়েছিল।

5 views

Related Questions