1 Answers

উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-১-এর 'সংকট উত্তরক পরীক্ষণ' এবং দৃশ্যকল্প-২-এর 'কাজ চালানো প্রকল্প' ধারণার প্রতিফলন ঘটেছে। নিচে এ দুয়ের মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ উল্লেখ করা হলো-

যে প্রকল্পটি তার সমকক্ষ অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রকল্পকে অপ্রমাণ করে নিজেকে একমাত্র ব্যাখ্যাকারীরূপে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম, সেই প্রকল্পটিই প্রমাণিত হয়ে নিয়ম বা মতবাদের পর্যায়ে উন্নীত হতে পারে। তবে নিজেকে অনন্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে প্রকল্পটিকে বিশেষ কোনো দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হয়। এরূপ নির্ধারক দৃষ্টান্ত যখন পরীক্ষণের মাধ্যমে সংগৃহীত হয় তখন তাকে বলে 'সংকট উত্তরক পরীক্ষণ' বা 'চরম পরীক্ষণ'।

কোনো অপরিচিত নতুন ঘটনাকে ব্যাখ্যা করার জন্য এ সম্পর্কে যথার্থ ধারণা না থাকার ফলে আপাতত উদ্দেশ্য সাধনের লক্ষ্যে যখন অসম্পূর্ণ কোনো আনুমানিক ধারণাকে সাময়িকভাবে প্রকল্প হিসেবে গ্রহণ করা হয়, তখন সেই আনুমানিক ধারণাকে বলা হয় 'কাজ চালানো প্রকল্প'। " 'সংকট উত্তরক পরীক্ষণ' হলো প্রতিষ্ঠিত এবং পরীক্ষণের মাধ্যমে সংগৃহীত অনন্য দৃষ্টান্ত। অপরদিকে 'কাজ চালানো প্রকল্প' হলো আপাতত বা সাময়িকভাবে গৃহীত প্রকল্প। 'সংকট উত্তরক পরীক্ষণ' হয় সর্বদা সত্য এবং অনন্য প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু, 'কাজ চালানো প্রকল্প' সত্য না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

'সংকট উত্তরক পরীক্ষণ' আমাদের প্রকল্প প্রমাণের জন্য সঠিক পথ নির্দেশ করে। অপরদিকে 'কাজ চালানো প্রকল্প' কেবল সাময়িক সমাধান প্রদান করে কিন্তু, প্রকল্প প্রমাণে কোনো সঠিক পথ নির্দেশ করে না।

তাই উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় 'সংকট উত্তরক পরীক্ষণ' এবং 'কাজ চালানো প্রকল্প' উভয়ই প্রকল্প প্রমাণের সহায়ক হলেও 'সংকট উত্তরক পরীক্ষণ' হলো প্রকল্প প্রমাণে চরম এবং প্রতিষ্ঠিত দৃষ্টান্ত যার মাধ্যমে আবশ্যকভাবে প্রকল্প প্রমাণ সম্ভব, অপরদিকে 'কাজ চালানো প্রকল্প' হলো কেবলমাত্র সাময়িক সমাধান।

4 views

Related Questions