1 Answers
কমলাকান্ত তার বাড়িতে পূজার আয়োজন করেন এবং মহা ধুমধামের মাধ্যমে এ পূজার্চনা চলতে থাকে যা পৌরাণিক যুগের ঐতিহ্যকে প্রকাশ করে।
বৈদিক যুগের ধর্মানুষ্ঠানের রূপ ছিল যজ্ঞক্রিয়া। যজ্ঞকর্মের অনুশীলন করে মানুষ অভীষ্ট কর্মফল লাভ করতেন। পরবর্তীতে পৌরাণিক যুগে হিন্দুধর্মের চিন্তাজগতে ভক্তির প্রাধান্য লক্ষ করা যায়। বেদ ও উপনিষদের মধ্যে যে ভক্তিভাবের ইঙ্গিত ছিল তা পৌরাণিক যুগে এসে বিশেষ বৈশিষ্ট্য লাভ করে। ভক্তিকে অবলম্বন করে পরমতত্ত্বে উপনীত হওয়ার যাত্রাপথে বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উদ্ভব ঘটে। দেবতা একাধিক, তাই পরমব্রহ্মের স্থান নিয়ে বিভিন্ন দেব-দেবীর অনুসারী ভক্তগণের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা দেয়। এভাবে ভিন্ন মত ও সম্প্রদায়ের লোকেরা বিভিন্ন দেব-দেবীর পূজার মাধ্যমে তাদের আরাধনা শুরু করে যা উদ্দীপকের কমলাকান্তের করণীয় কাজের সাথে পুরাপুরি মিলে যায়। এজন্য আমরা বলতে পারি, কমলাকান্তের কর্মকান্ডে হিন্দুধর্মের পৌরাণিক ঐতিহ্যের প্রকাশ ঘটেছে।