1 Answers

হিন্দুধর্মগ্রন্থের ওপর ভিত্তি করে দেব-দেবীকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. বৈদিক দেবতা: বেদে যে সেকল দেবতার কথা বলা হয়েছে তাঁরা বৈদিক দেবতা। যেমন- অগ্নি, ইন্দ্র, মিত্র, রুদ্র, বরুণ, বায়ু সোম প্রভৃতি বৈদিক দেবতা আর দেবী হিসেবে সরস্বতী, ঊষা, আদিতি, রাত্রি এঁদের নাম উল্লেখ আছে। বৈদিক দেব- দেবীর কোনো বিগ্রহ বা মূর্তি ছিল না। তাবে বৈদিক মন্ত্রে সকল দেবতার রূপ, গুণ ও ক্ষমতার বর্ণনা করা হয়েছে। যজ্ঞের মাধ্যমে বৈদিক ঋষিরা দেব-দেবীর সান্নিধ্য লাভ করতেন।

২. পৌরাণিক দেবতা: পুরাণে যে সকল দেবতার বর্ণনা করা হয়েছে তাদের পৌরাণিক দেবতা বলা হয়। যেমন- ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শিবা, দুর্গা, সরস্বতী প্রভৃতি। পৌরাণিক যুগে বৈদিক দেবতাদের অনেকেরই রূপের পরিবর্তন ঘটেছে এবং অনেক নতুন দেবতার আবির্ভাব ঘটেছে। যেমন বেদে উল্লিখিত বিষ্ণুকে পুরাণে দেখা যায় শঙ্খ-চক্র-গদাধারী রূপে।

৩. লৌকিক দেবতা: বেদে ও পুরাণে যে সকল দেবতার কথা বলা হয় নি। কিন্তু ভক্তগণ তাদের পূজা করেন তাদেরকে বলা হয় লৌকিক দেবতা। যেমন- মনসা, শীতলা, দক্ষিণ রায় প্রভৃতি। পরবর্তীকালে মনসা দেবীসহ আরও অনেক লৌকিক দেবতা পুরাণে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

 

4 views

Related Questions