1 Answers
বিকাশের কর্মকান্ড ব্রহ্মচর্যাশ্রমের অন্তর্ভুক্ত।
স্বাভাবিকভাবে মানুষের জীবিত থাকার সময় ধরা হয় একশত বৎসর। এই শতবর্ষের জীবনকে চারটি স্তরে বা আশ্রমে বিভক্ত করা হয়। প্রতিটি বিভাগের সময়সীমার গড় পঁচিশ বছর। প্রথম পঁচিশ বছরকে বলা হয় ব্রহ্মচর্য আশ্রম। দ্বিতীয় পঁচিশ বছর গার্হস্থ্য আশ্রম। তৃতীয় পঁচিশ বছর বানপ্রস্থ আশ্রম এবং শেষ পঁচিশ বছরকে সন্ন্যাস আশ্রম বলা হয়। উদ্দীপকের বিকাশ এ বছর এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে এবং সে লেখাপড়ার পাশাপাশি তাদের গবাদি পশুর পরিচর্যা ও বাবাকে কৃষিকাজে সাহায্য করে। বিকাশের এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার প্রেক্ষাপট এবং তার বয়স বিবেচনায় ধারণা করা যায় সে ব্রহ্মচর্যাশ্রমের অন্তর্ভুক্ত।
প্রতিটি আশ্রমেই সুনির্দিষ্ট কর্তব্যকর্ম রয়েছে। মানুষের পাঁচ বছর বয়স হলেই তাকে গুরুগৃহে গমন করে ব্রহ্মচর্য জীবন শুরু করতে হয়। গুরুর নিকট দীক্ষাগ্রহণ, গুরুর তত্ত্বাবধানে পড়াশুনা করতে হয়। এটাই ব্রহ্মচর্যাশ্রম। এ আশ্রমে থেকে শিষ্যকে গুরুর নির্দেশে বহু শাস্ত্র অধ্যয়ন, আত্মসংযম, পরিশ্রম ও কঠোর জীবনযাপনে অভ্যস্ত হতে হয়। বিদ্যাশিক্ষা সমাপ্ত হলে গুরুর নির্দেশে নিজ গৃহে প্রত্যাবর্তন করে ব্রহ্মচারী গার্হস্থ্য জীবনে প্রবেশ করে।
অতএব বলা যায়, উদ্দীপকের বিকাশের বিদ্যাশিক্ষা যেহেতু এখনও সমাপ্ত হয়নি তাই সে ব্রহ্মচর্যাশ্রমেরই অন্তর্ভুক্ত।