1 Answers
মুরাদ সাহেবের কর্মকান্ড মুসলিম বিজ্ঞানী জাবির ইবনে হাইয়্যানকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় জাবির ইবন হাইয়্যানের অসাধারণ জ্ঞান ছিল। মুহাম্মদ ইবন নাদিমের মতে, বিজ্ঞান বিষয়ে জাবির দুই হাজারের অধিক গ্রন্থ রচনা করেছিলেন যার মধ্যে চিকিৎসাসংক্রান্ত ছিল প্রায় পাঁচশ। রসায়ন শাস্ত্রে অবদানের জন্য তাঁকে বিশ্বে সর্বশ্রেষ্ঠ রসায়নবিদ হিসেবে গণ্য করা হয়। আধুনিক বিশ্বখ্যাত রসায়নবিদদের তিনি ছিলেন পথপ্রদর্শক। বিশ্বের সকল, রসায়ন বিজ্ঞানী তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে থাকেন। রসায়ন সম্বন্ধে তাঁর ধারণা হচ্ছে, "প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা হলো রসায়নশাস্ত্র। প্রাণী ও উদ্ভিদজগতের সারবস্তু এবং খনিজ পদার্থের উৎপত্তি ও গুণাগুণ পর্যবেক্ষণ করাই হলো রসায়ন শাস্ত্রের কাজ।" জগদ্বিখ্যাত রসায়নবিদ জাবির বিভিন্ন রাসায়নিক প্রক্রিয়া উদ্ভাবন করেছিলেন। যেমন- পরিস্রবণ, দ্রবণ, ভস্মীকরণ, বাষ্পীকরণ এবং গলানো প্রভৃতি প্রক্রিয়া তাঁরই আবিষ্কার। তিনি তাঁর গ্রন্থাবলিতে ধাতুর শোধন, তরল ও-বাষ্পীকরণ প্রক্রিয়া, ইস্পাত তৈরির যন্ত্র ও চর্মরঞ্জন ওয়াটার প্রুফ কাপড়ের ও লোহার মরিচারোধক বার্নিশ, চুলের কলপ প্রভৃতি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
উদ্দীপকের মুরাদ সাহেবও বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যথা পরিস্রবণ, দ্রবণ, ভস্মীকরণ ইত্যাদি বিষয়ে গবেষণা করে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করে নিজ দেশে সফলতার স্বাক্ষর বহন করেন। এজন্য তার কর্মকাণ্ড আমাদেরকে জাবির ইবনে হাইয়্যানের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।