1 Answers

উদ্দীপকের মহামানব অর্থাৎ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাবে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের পরিচয় পাওয়া যায়।

উদ্দীপকের আলোচনায় আমরা দেখতে পাই, এখানে একটি নাটকের বিষয়বস্তুতে দেখানো হয়েছে কোনো এক সময়ে ধর্মের প্রতি মানুষের অবজ্ঞা ও অবহেলা দেখা দেয়। অত্যাচারীরা পরম শক্তিশালী হয়ে ওঠে। ধার্মিকদের জীবনে চরম নিপীড়ন নির্যাতন নেমে আসে। ঠিক সে সময়ে একজন মহানাবের আবির্ভাব হয়। এবং তিনি সকল দুষ্কৃতিকারীদের ধ্বংস করে আবার ধর্মকে প্রতিষ্ঠিত করেন। পাঠ্যবইয়ে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জীবনাদর্শ যদি আমরা পর্যালোচনা করি তাহলে দেখতে পাই, তিনি আবির্ভূত হওয়ার ঠিক পূর্ব মুহূর্তে মানুষের মধ্যে ধর্মের প্রতি অবজ্ঞা, অবহেলা দেখা দিয়েছিল। কংস, জরাসন্ধ, শিশুপালনসহ অনেক অত্যাচারীরা তাদের প্রজাদের ওপর নিপীড়ন ও নির্যাতন চালাতো এবং ধার্মিকদেরকে চরম নির্যাতন করতো। তারা তাদের রাজত্বে ত্রাস সৃষ্টি করেছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অবতাররূপে নেমে এসে একে একে সবাইকে হত্যা করে ধর্মকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। তাই আমরা একথা নিঃসন্দেহে বলতে পারি, উদ্দীপকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাবের পরিচয়ই ফুটে উঠেছে।

4 views

Related Questions