1 Answers
উদ্দীপকে 'আমার পরিচয়' কবিতার বাঙালির বিদ্রোহী চেতনার পরিচয় পাওয়া যায়।
বাঙালি জাতিসত্তা গঠনের পিছনে সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও ইতিহাস-সংস্কৃতির পটভূমি বিদ্যমান। বিভিন্ন সময়ে শাসকগোষ্ঠীর অন্যায় শাসন- শোষণ-নির্যাতনের বিরুদ্ধে বাঙালিকে বিদ্রোহ-বিপ্লব করতে হয়েছে। সেসব সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় অর্জিত হয়েছে স্বাধীনতা।
উদ্দীপকে বাঙালির বিদ্রোহী চেতনার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। এখানে বাঙালির অতীত সংগ্রামী ঐতিহ্য ও বীর যোদ্ধাদের সংগ্রামী চেতনাকে স্মরণ করা হয়েছে। এই দিকটি 'আমার পরিচয়' কবিতায় বাঙালির বিদ্রোহী চেতনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। 'আমার পরিচয়' কবিতায় কবি ব্রিটিশশাসিত বাংলায় তিতুমীর, হাজী শরীয়ত, ক্ষুদিরাম, সূর্যসেন প্রমুখ বীর যোদ্ধার কথা বলেছেন। তাঁরা ব্রিটিশ শাসনের অবসানকল্পে সংগ্রাম করে শহিদ হয়েছেন। উদ্দীপকেও ব্রিটিশ শাসনের অবসানে যাঁরা বীরত্ব দেখিয়েছেন তাঁদের কথা বলা হয়েছে। এখানে ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৫৭ সালের ভারতীয় বিদ্রোহের অন্যতম প্রতিমূর্তি ও পথিকৃৎ ঝাঁসির রানি লক্ষ্মী, সিপাহি বিদ্রোহের অন্যতম নেতা নানাসাহেব, তাঁতিয়াটোপি প্রমুখের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সিপাহি বিদ্রোহের নেতৃত্বদানকারী এসব নেতার সংগ্রামী চেতনা ও নেতৃত্ব 'আমার পরিচয়' কবিতায় প্রতিফলিত বাঙালির বিদ্রোহী চেতনাকেই নির্দেশ করে।