1 Answers

উদ্দীপকের শ্রদ্ধেয় প্রজ্ঞাজ্যোতি ভান্তের সিদ্ধিলাভের বিষয়টিতে মহামানব গৌতম বুদ্ধের বুদ্ধত্ব লাভের ইঙ্গিত রয়েছে।

রাজকুমার সিদ্ধার্থ গৃহত্যাগের পর সন্ন্যাস গ্রহণ করে ছয় বছর কঠোর সাধনা করেন। পরে কঠোর সাধনায় সিদ্ধিলাভ সম্ভব নয় বুঝতে পেরে মধ্যম পন্থা অবলম্বন করেন। এভাবে এক বৈশাখী পূর্ণিমা তিথিতে তিনি সাধনায় বোধি জ্ঞান লাভ করেন।

বৈশাখী পূর্ণিমায় অশ্বথ গাছের নিচে বুদ্ধত্ব লাভে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়ে সিদ্ধার্থ গৌতম গভীর ধ্যানে মগ্ন হন। তিনি দুঃখ-মুক্তির সাধনায় রত। লোভ- লালসা, কামনা-বাসনা, ভয়ভীতি প্রভৃতি অশুভ শক্তির প্রতীক মার তাঁর প্রতিজ্ঞায় ভয় পেয়ে তাঁকে লক্ষচ্যুত করার জন্য দলবলসহ নানারকম চেষ্টা করতে লাগল। রতি, আরতি ও তৃষ্ণা-মারের এই তিন কন্যা পুষ্পধনু ও পুষ্পশর নিয়ে ধ্যানমগ্ন বোধিসত্ত্বকে আক্রমণ করল। তাঁর তপোভঙ্গ করার জন্য নানারকম অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন ও ছলনা করতে লাগল। শুরু হলো মারের সাথে তর্কযুদ্ধ। তখন তিনি কঠোর সংকল্পের কথা মারকে বললেন। যুদ্ধে মার শাক্য সিংহের কাছে পরাজিত হলে বোধিজ্ঞান লাভ করে সিদ্ধার্থ গৌতম বুদ্ধ হন। উদ্দীপকের প্রজ্ঞাজ্যোতি ভান্তে জগতের পরিবর্তনশীলতা নিয়ে চিন্তামগ্ন হয়ে কঠোর সাধনার জন্য নির্জনে অবস্থান করেন। সেখানে অশুভ শক্তির মোকাবিলা করে সিদ্ধিলাভ করেন। তার এই কার্যক্রম গৌতম বুদ্ধের সিদ্ধিলাভের প্রতি ইঙ্গিত করে।

5 views

Related Questions