1 Answers

দৃশ্যকল্প-১ এর বিষয়টি বোধিসত্ত্বদের জ্ঞান লাভের সাথে সম্পৃক্ত। বোধি ও সত্ত্ব দুটি শব্দের সমন্বয়ে 'বোধিসত্ত্ব' শব্দটি গঠিত। এখানে বোধি অর্থ জ্ঞান আর সত্ত্ব হলো সেইজন যিনি জ্ঞান সাধনায় নিয়োজিত। অতএব যিনি বুদ্ধত্ব লাভের জন্য আরাধনা করেন তিনিই বোধিসত্ত্ব। বৌদ্ধধর্ম মতে বোধিসত্ত্ব তিন প্রকার এবং এদের সাধন প্রক্রিয়াও ভিন্ন। দৃশ্যকল্প-১ এ প্রকারগুলোর উল্লেখ রয়েছে।

দৃশ্যকল্প-১ এ জ্ঞানের জন্য যারা তপস্যা করে যাচ্ছেন তাদের কথা তুলে ধরা হয়েছে। তাদের মধ্যে কেউ শুনে, কেউ স্বাধীনভাবে, আবার কেউ সর্বপ্রাণীর মঙ্গলের জন্য সাধনা করে যাচ্ছেন। অর্থাৎ যারা শুনে সাধনা করেন তারা 'শ্রাবক বোধিসত্ত্ব', স্বাধীনভাবে সাধনাকারীরা 'প্রত্যেকবোধিসত্ত্ব' এবং সর্বপ্রাণীর মঙ্গলের জন্য সাধনাকারীরা হলেন 'সম্যক সম্বোধিসত্ত্ব'।

শ্রাবক বোধিসত্ত্ব বলতে শ্রবণকারী, শ্রোতা, শিষ্য বা শ্রদ্ধানুরাগে অনুপ্রাণিত হয়ে বোধিজ্ঞান লাভকারীকে বোঝানো হয়। আর স্ব-উদ্যোগে ও স্বাধীনভাবে কোনো গুরুর অধীন না হয়ে বুদ্ধ প্রদর্শিত পথে বোধিজ্ঞান লাভের সাধনায় নিয়োজিত সাধকল্পে প্রত্যেকবোধিসত্ত্ব বলে। সম্যক সম্বোধিসত্ত্ব বোধিসত্ত্ব সাধনার সর্বোত্তম প্রক্রিয়া। সর্বসত্তার কল্যাণব্রত নিয়ে বোধি চিত্ত সাধনার অনুসরণকারীকে সম্যকসম্বোধিসত্ত্ব বলে।

4 views

Related Questions