1 Answers

স্বামী বিবেকানন্দ নারী শিক্ষা ও নারী স্বাধীনতাকে সমর্থন করতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন পৃথিবীর প্রতিটি কল্যাণময় কাজেই নারীর সমান অংশীদার রয়েছে। স্বামী বিবেকানন্দের এ আদর্শই তমার শিক্ষকের চরিত্রে ও কর্মে প্রতিফলিত হয়েছে।

নারী সমাজের উন্নতি ছাড়া সামগ্রিকভাবে সমাজের উন্নতি কখনোই সম্ভব নয়। বৈদিক যুগের মৈত্রেয়ী, গার্গী প্রমুখ বিদুষী নারীদের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই যুগে নারীরা যদি এত শিক্ষালাভ করতে পারে, তাহলে এযুগের নারীরা তা পারবে না কেন? নারীরা যেন আধ্যাত্মিক সাধনায় সুযোগ পায় এবং এগিয়ে আসে তার জন্য তিনি সারদাদেবীর পরিচালনায় নারীদের জন্য একটি মঠও প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করেছিলেন। আলোচ্য উদ্দীপকে প্রধান শিক্ষক যেমন অল্প বয়সে তমার বিবাহের তীব্র প্রতিবাদ জানায়। তার লেখাপড়া আবার চালু করার ব্যবস্থা করে তেমনি স্বামী বিবেকানন্দ এটাই চেয়েছিলেন নারী পুরুষের পাশাপাশি সমান অধিকার ভোগ করবে জোরপূর্বক তাদের ওপর কোনোকিছু চাপিয়ে দেওয়া হবে না। নারীপুরুষ এক সাথে পরস্পরের সহযোগি হয়ে কাজ করলে সমাজকে দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

5 views

Related Questions