1 Answers

সুনাগরিকের প্রধানত বুদ্ধি, বিবেক ও আত্মসংযম- এই তিনটি গুণ থাকতে হয়।
রাষ্ট্রের সব নাগরিক সুনাগরিক নয়। আমাদের মধ্যে যে বুদ্ধিমান, ন্যায়- অন্যায়, সৎ-অসৎ বুঝতে পারে এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত থাকে, সমাজের বৃহত্তর স্বার্থে ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করতে পারে তাকেই সুনাগরিক বলা হয়। সুনাগরিকের প্রধানত তিনটি গুণ থাকে। যথা- বুদ্ধি, বিবেক ও আত্মসংযম।
বুদ্ধি নাগরিকের অন্যতম গুণ। বুদ্ধিমান নাগরিক পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের বহুমুখী সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের ক্ষেত্রে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। সুনাগরিক আত্মসংযমী হয়। সে নিজেকে সকল প্রকার লোভ- লালসার ঊর্ধ্বে রেখে সততা ও নিষ্ঠার সাথে নিজের দায়িত্ব কর্তব্য পালন করে। অর্থাৎ সমাজের বৃহত্তর স্বার্থে নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করে। এছাড়া সুনাগরিক বিবেকবোধসম্পন্ন হয়। এ গুণের মাধ্যমে নাগরিক ন্যায়-অন্যায়, সৎ-অসৎ, ভালো-মন্দ অনুধাবন করতে পারে। বিবেকবান নাগরিক একদিকে যেমন রাষ্ট্রপ্রদত্ত অধিকার ভোগ করে, ঠিক তেমনি রাষ্ট্রের প্রতি যথাযথভাবে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে এবং ন্যায়ের পথে থাকে। বিবেকসম্পন্ন নাগরিক রাষ্ট্রের প্রতি অনুগত থাকে, আইন মান্য করে, যথাসময়ে কর প্রদান করে, নির্বাচনে যোগ্য ও সৎ ব্যক্তিতে ভোট দেয়।
পরিশেষে বলা যায়, যেহেতু বুদ্ধি, বিবেক ও আত্মসংযমের অধিকারী ব্যক্তিকে সুনাগরিক বলা হয়, সেহেতু একজন সুনাগরিকের মধ্যে উল্লিখিত গুণ তিনটি অবশ্যই থাকতে হবে।

5 views

Related Questions