1 Answers

উদ্দীপকের ঘটনাটি একধরনের পানি শোষণ প্রক্রিয়া। উদ্ভিদে তিনটি প্রক্রিয়া সম্মিলিতভাবে শোষণ কাজ সম্পাদন করে। প্রক্রিয়া তিনটি হলো ইমবাইবিশন, ব্যাপন এবং অভিস্রবণ। ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় শুকনা বা আধা শুকনা কলয়েড পদার্থ তরল শুষে নিতে পারে। কলয়েড জাতীয় পদার্থগুলো হাইড্রোফিলিক বা পানিপ্রিয় হয়। কোষপ্রাচীর ও প্রোটোপ্লাজম কলয়েডধর্মী হওয়ায় ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় পানি শোষণ করে এবং সজীব থাকে। ইমবাইবিশন প্রক্রিয়া না থাকলে পানির অভাবে প্রোটোপ্লাজম সংকুচিত হয়ে মারা যেত এবং উদ্ভিদের মৃত্যু ঘটতো। ব্যাপন প্রক্রিয়ায় বেশি ঘনত্ব থেকে অনু কম ঘনত্বের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ব্যাপন চাপ ঘাটতির কারণে মাটি থেকে পানি উদ্ভিদের মূলরোম দিয়ে প্রবেশ করে। এই প্রক্রিয়ায় এক কোষ তার পাশের কোষ থেকেও পানি টেনে নেয়। আবার, অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় মাটি থেকে পানি উদ্ভিদের মূলরোম দিয়ে প্রবেশ করে পরিবহন কলায় পৌঁছে। পরিবহন কলার মাধ্যমে পানি পাতায় পৌঁছায়। এছাড়া এক কোষ থেকে অন্য কোষে পানি পরিবহনও এই প্রক্রিয়ায় হয়ে থাকে। একে কোষান্তর অভিস্রবণ বলা হয়। অর্থাৎ মূলরোম দিয়ে পানি প্রবেশ ব্যাপন ও অভিস্রবণ দ্বারা হয়ে থাকে। কিন্তু মূলরোম থেকে মূলের কটেক্স, অন্তঃচক্র এবং পরিচক্র হয়ে পানি জাইলেম কলায় এবং পরবর্তীতে পাতায় পৌঁছানোর কাজটি হয় অভিস্রবণের মাধ্যমে। 

তাই বলা যায় যে, উদ্ভিদের জন্য পানি শোষণের তিনটি প্রক্রিয়াই অতীব গুরুত্বপূর্ণ।

6 views

Related Questions

যুদ্ধ, নিপীড়ন, সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে বাঁচতে আজ সারা বিশ্বে ৮ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত। বাস্তুচ্যুত মানুষের এ সংখ্যাা বাংলাদেশের জনসংখ্যা র প্রায় অর্ধেক । সারা বিশ্বের বাস্তুচ্যুতির প্রধান পাঁচটি উৎসদেশের একটি হচে।ছ মায়নমার। সেখান থেকে ২০১৭ সালে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় দেয়। এই শরণার্থীরা তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়: কিনুত তাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং মায়ানমারের নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা – এসব কিছুই সম্ভব নয় আন্তর্জাতিক মহলের একট সার্বিক উদ্যোগ ছাড়া। তার পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ তাদের সুরক্সা, সহায়তা ও নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে নোয়াখালীর ভাসানচরে তাদের জন্য আধুনিক সুযোগ সুবিধা একটি স্বতন্ত্র আবাসস্থল নির্মাণ করা হয়েছে। সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের একটি অংশ সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রত্যেক শরণার্থীর রয়েছে ব্যক্তিগত দুঃখ –কষ্ট , বঞ্চনা ও যন্ত্রণার ইতিহাস। বাংলাদেশে আশ্রিত এসব রোহিঙ্গা নিয়মিত সংগ্রাম করে যাচ্ছে মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে। তারা আশাবাদী, একদিন তারা নিজ দেশ মায়ানমারে ফিরে যেতে পারবে। (Translate to English)
1 Answers 8 Views