1 Answers
আমাদের দেহের ভেতর তৈরি হয় বিভিন্ন ধরনের হরমোন। এ হরমোনগুলো দেহের ভেতর নানা কাজের সঙ্গে জড়িত থাকে। আমাদের বেড়ে ওঠা, অঙ্গ-প্রতঙ্গের আকার আকৃতিতে পরিবর্তন ঘটা, এমনকি গলার স্বরেও পরিবর্তন আসে হরমোনের কারণে। শিশু তার বাল্যকাল পেরিয়ে কৈশর ও তারুণ্যে উপনীত হয়। কৈশর ও তারুণ্যের মাঝামাঝি সময়কে বলা হয় বয়ঃসন্ধিকাল। এ সময়ে ছেলেমেয়েদের মধ্যে কিছু দৈহিক ও মানসিক পরিবর্তন আসে। বয়ঃসন্ধিকালে থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে থাইরক্সিন নামক হরমোন নিঃসরণ শুরু হলে ছেলেমেয়েদের দৈহিক ও মানসিক পরিবর্তন ঘটা শুরু হয়। ছেলেদের বেলায় টেস্টোস্টেরন ও অ্যান্ড্রোজেন নামক হরমোন নিঃসরণ শুরুর কারণে তাদের দাড়ি গোফ গজায় এবং গলার স্বর বদলে যায়।
উদ্দীপকে হৃদয়ের বয়স ছিল ১২ বছর। অর্থাৎ সে বয়ঃসন্ধিকালে পড়েছে। এ সময়ে তার থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে থাইরক্সিন নামক হরমোন নিঃসরণ শুরু হওয়ায় তার দৈহিক ও মানসিক পরিবর্তন ঘটেছে। আবার একই সময়ে হৃদয়ের দেহাভ্যন্তরে টেস্টোস্টেরন ও অ্যান্ড্রোজেন নামক হরমোন নিঃসরণ শুরু হওয়ায় তার গলার স্বরেও পরিবর্তন ঘটেছে। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, ঐ সময়ে হৃদয়ের ঘটনাগুলো ঘটার মূল কারণ হলো বয়ঃসন্ধিকালে বিভিন্ন ধরনের হরমোন নিঃসরণ।