1 Answers

রাহেলা বেগমের গুণগুলো হলো বুদ্ধিমত্তা, অধ্যবসায় ও আত্মসংযম। এ গুণগুলো একটি জাতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। ব্যক্তির পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা, পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনা, জ্ঞানস্পৃহা ইত্যাদি তার বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেয়। কোনো সমস্যাকে অনুধাবন করে পরিস্থিতি বিচার-বিশ্লেষণ করা, বিগত দিনের কোনো অভিজ্ঞতাকে সময়মতো কাজে লাগানো এ সবই বুদ্ধির ওপর নির্ভরশীল। গৃহ ব্যবস্থাপক তার বুদ্ধির জোরে পরিবারের সীমিত সম্পদ ব্যবহার করেও সব চাহিদা পূরণ করতে পারেন, যা জাতীয় উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে। অধ্যবসায় ছাড়া কোনো কাজে সফলতা আসে না। যেকোনো কাজ। সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য শেষপর্যন্ত কাজটি করে যাওয়াটাই হচ্ছে অধ্যবসায়। গৃহ ব্যবস্থাপকের এই গুণের কারণেই যেকোনো কঠিন কাজ সহজেই সম্পন্ন হয়। ধৈর্য, সহিষ্ণুতা ও একাগ্রতা ইত্যাদি গুণাবলি অধ্যবসায়ী হতে সাহায্য করে। ঘরে শিশুদের পরিচালনা এবং তাদের লেখাপড়া করার ক্ষেত্রে অধ্যবসায় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। এ গুণটি জাতীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। পারিবারিক, সংকটকালে নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণে রাখাটাই আত্মসংযম। এই গুণের মাধ্যমে অনেক কঠিন সমস্যার সমাধান করা যায়। আত্মসংযম ক্ষমতা থাকলে পরিবারের সদস্যদর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখা সহজ হয়। এর ফলে পরিবারের সদস্যরা যে কোন কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পারে।

জাতীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রে যা গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। রাহেলা বেগমের মধ্যে উল্লিখিত গুণগুলো দেখা যায়। এ সকল গুণের কারণে তার ছেলেমেয়েরা বর্তমানে ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার হয়ে সমাজের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। তাই বলা যায়, রাহেলা বেগমের গুণগুলো একটি জাতির উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।

5 views

Related Questions