1 Answers
উদ্দীপকে বর্ণিত জীববৈচিত্র্যের প্রধান তিনটি ভাগ হলো- প্রজাতিগত বৈচিত্র্য, বংশগতীয় বৈচিত্র্য এবং বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য। নিচে এদের বর্ণনা করা হলো-
প্রজাতিগত বৈচিত্র্য: পৃথিবীতে বিরাজমান জীবগুলোর পৃথকযোগ্য
বৈশিষ্ট্যের কারণেই এক প্রজাতি থেকে অন্য প্রজাতি ভিন্নতর হয়। প্রজাতিগুলোর মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে এই ভিন্নতাই হলো প্রজাতিগত বৈচিত্র্য। যেমন- বাঘের আকার, স্বভাব, হিংস্রতা হরিণ হতে ভিন্ন।
বংশগতীয় বৈচিত্র্য: একই প্রজাতিভুক্ত সদস্যগণের মধ্যেও অনেক বিষয়ে পার্থক্য দেখা যায়। এই পার্থক্যগুলো তৈরি হয় জনের সামান্য বৈচিত্র্যের কারণে। তাই জিনের গঠন ও বিন্যাসের পরিবর্তন হলে জীবের বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন হয় এবং নতুন প্রজাতির উদ্ভব হতে পারে। এর ফলে জীবের মধ্যে যে বৈচিত্র্য ঘটে, সেটিই হলো বংশগতীয় বৈচিত্র্য। যেমন- একই প্রজাতি কিন্তু তাদের গড়ন, আকার, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভিন্ন।
বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য: একটি বাস্তুতন্ত্রের ভৌত, রাসায়নিক এবং জৈবিক উপাদানগুলোর পরিবর্তনের সাথে অভিযোজিত হতে সেখানে বসবাসরত জীবের মধ্যেও পরিবর্তন সাধিত হয়। এর ফলে সৃষ্ট জীববৈচিত্র্যই হলো বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য। যেমন- একটি ছোট পুকুর এবং নদীতে গড়ে উঠা বাস্তুতন্ত্রের মধ্যে ভিন্নতা রয়েছে।