1 Answers

উদ্দীপকে বর্ণিত সাত ভাগের প্রথমটি অভিধর্ম পিটকের প্রথম গ্রন্থ ধম্মসঙ্গণির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

ধম্মসঙ্গণি-এর অর্থ ধর্মের সংগণনা বা ধর্মের শ্রেণিবিভাগ অথবা ধর্মের ব্যাখ্যা। ধর্ম অর্থাৎ লৌকিক ও লোকোত্তর বিষয়সমূহ শ্রেণিবিভাগ করে ব্যাখ্যা করায় গ্রন্থটির এরূপ নামকরণ করা হয়। ধম্মসঙ্গণিকে অভিধর্ম পিটকের মূলস্তম্ভ বলা হয়। এতে অন্তর্জগৎ ও বহির্জগতের ছোট-বড় যাবতীয় ব্যাপারসমূহকে চিত্ত, চৈতসিক ও জড় পদার্থের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে এবং নাম-রূপকে কার্যকারণ নীতি অনুসারে কুশল-অকুশল এবং অব্যাকৃত ধর্ম হিসেবে শ্রেণিবিন্যাস করে এ গ্রন্থে আলোচনা করা হয়েছে। ধম্মসঙ্গণির আলোচ্য বিষয়সমূহকে চার ভাগে ভাগ করে বিশ্লেষণ করা যায়- ১. চিত্ত ও চৈতসিকের পরিচয়; ২. রূপ বা জড় পদার্থের পরিচয়; ৩. পূর্বে উল্লিখিত বিষয়ের সারসংক্ষেপ বা নিক্‌খেপ; ৪. অণুদার বা অব্যাকৃত ধর্ম।

চিত্ত চৈতসিকে কামাবচার, রূপাবচর, অরূপাবচর এবং লোকোত্তর- এই চার প্রকার চিত্ত পঞ্চস্কন্ধ, জীবিতেন্দ্রিয় প্রভৃতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। রূপ পরিচয় বিভাগে কামলোক তথা নরক, মনুষ্য ও দেবলোক প্রভৃতি ব্যাখ্যা করা হয়েছে। নিষ্ফল্প শব্দের অর্থ হচ্ছে সারমর্ম বা সারসংগ্রহ এবং এ বিভাগে চিত্ত ও চৈতসিক সম্পর্কে পূর্ববর্তী বিভাগে যেসব আলোচনা আছে তার সারমর্ম রয়েছে। এ ছাড়া অব্যাকৃত বিষয় অখুদার বিভাগে কুশল-অকুশল বিষয়ের কারণ উদ্ধার করা হয়েছে।

5 views

Related Questions