1 Answers

দৃশ্যপট-১-এর চৈনিক সভ্যতার বিপরীত চিত্র আমার পাঠ্যপুস্তকের মিশরীয় সভ্যতায় লক্ষ করা যায়।

প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা নীল নদের অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল। আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া থেকে এ নদের উৎপত্তি। সেখান থেকে নদটি নানা দেশ হয়ে মিশরের মধ্য দিয়ে ভূ-মধ্যসাগরে এসে পড়েছে। প্রাচীনকালে প্রতিবছর নীল নদে বন্যা হতো। বন্যার পর পানি সরে গেলে দুই তীরে পলিমাটি পড়ে জমি উর্বর হয়ে যেত। জমে থাকা পলিমাটিতে জন্মাতো নানা ধরনের ফসল। উৎপাদিত ফসলের প্রাচুর্যের ওপর ভিত্তি করে মিশরে গড়ে উঠেছিল কৃষিনির্ভর অর্থনীতি। গ্রিক ঐতিহাসিক হেরোডোটাস তাই মিশরকে বলেছেন 'নীল নদের দান'। অর্থাৎ নীল নদ ছিল মিশরীয়দের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ।

দৃশ্যপট-১-এ, বলা হয়েছে প্রাচীনকালে হোয়াংহো নদীর তীরে চৈনিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। বর্ষার সময় নদীটি প্রায় শত শত কি.মি. পর্যন্ত এলাকা জুড়ে প্লাবিত হতো। গ্রামের পর গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেত। এ কারণে তারা এ নদীকে' সর্বনাশী বলে ডাকত। দৃশ্যপট-১-এর চৈনিক সভ্যতার সাথে উপরে আলোচিত মিশরীয় সভ্যতার তুলনা করলে প্রতীয়মান হয়, চৈনিক সভ্যতা সম্পূর্ণরূপে মিশরীয় সভ্যতার বিপরীত চিত্র। তাই বলা যায়, চৈনিক সভ্যতার বিপরীত চিত্র আমার পাঠ্যবইয়ের মিশরীয় সভ্যতায় লক্ষ করা যায়।

5 views

Related Questions