1 Answers
চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার চেয়ারম্যানের কর্মকাণ্ডে ইতিহাসের সিন্ধু সভ্যতার চিত্র ফুটে উঠেছে।
সিন্ধু সভ্যতা বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতাগুলোর অন্যতম। সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরা উন্নত নগরকেন্দ্রিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছিল। এ সভ্যতায় হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো ছিল সবচেয়ে বড় শহর। এ দুটি নগরের রাস্তাগুলো পাকা ছিল। প্রত্যেকটি বাড়িতে খোলা জায়গা, কূপ ও স্নানাগার ছিল। বর্জ্য ও বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য ছিল নর্দমার ব্যবস্থা। ছোট ছোট নর্দমাগুলো বড় মূল নর্দমার সাথে সংযুক্ত করা হতো। এছাড়া এ সভ্যতার ধ্বংসাবশেষে ৮০ ফুট জায়গা জুড়ে একটি বৃহৎ মিলনায়তন এবং একটি বিরাট আকারের শস্যাগার পাওয়া গিয়েছে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার চেয়ারম্যান এলাকাবাসীর ব্যবহারের জন্য পানির ব্যবস্থা করেছেন। তিনি ব্যবহৃত পানি নিষ্কাশনের জন্য মাটির নিচ দিয়ে ড্রেনের ব্যবস্থা করেছেন। এছাড়া খাদ্যশস্য সংরক্ষণের জন্য গুদাম ঘর এবং একটি মিলনায়তন প্রতিষ্ঠা করেছেন। এই কাজগুলো উপরে বর্ণিত সিন্ধু সভ্যতার নগর পরিকল্পনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার চেয়ারম্যানের কর্মকান্ডে সিন্ধু সভ্যতার চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে।