1 Answers

দৃশ্যপট-১ এর নগরজীবনের সাথে সিন্ধু সভ্যতার নগরজীবনের মিল রয়েছে।

সিন্ধু সভ্যতায় যেসব শহর আবিষ্কৃত হয়েছে তার মধ্যে হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো সবচেয়ে বড় শহর। এ সভ্যতার নগরগুলোর ঘরবাড়ি সবই পোড়া মাটির বা রোদে পোড়ানো ইট দিয়ে তৈরি। শহরগুলোর বাড়িঘরের নকশা থেকে সহজেই বোঝা যায়, সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরা উন্নত ধরনের নাগরিক সভ্যতায় অভ্যস্ত ছিল। হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারোর নগর পরিকল্পনা একইরকম ছিল। নগরীর ভেতর দিয়ে চলে গেছে পাকা রাস্তা। রাস্তাগুলো ছিল সোজা। প্রত্যেকটি বাড়িতে খোলা জায়গা, কূপ ও স্নানাগার ছিল। জল নিষ্কাশনের জন্য ছোট ছোট নর্দমা সংযুক্ত করা হতো মূল নর্দমা বা পয়ঃপ্রণালির সাথে। এছাড়া রাস্তাঘাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হতো। পথের ধারে ছিল সারিবদ্ধ ল্যাম্পপোস্ট।

দৃশ্যপট-১-এ দেখা যায়, মালয়েশিয়ার সরকার প্রশাসনিক সুবিধার্থে 'পুত্রজায়া' নামক একটি রাজধানী শহর নির্মাণ করেন। যে শহরে রয়েছে বড় বড় রাস্তা, সুউচ্চ অট্টালিকা, পরিকল্পিত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ইত্যাদি। এ দৃশ্যপট-১ এর অনুরূপ নগর পরিকল্পনা দেখা যায় সিন্ধু সভ্যতার নগর পরিকল্পনায়, যা উপরের আলোচনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, দৃশ্যপট-১ এর নগরজীবনের সাথে সিন্ধু সভ্যতার নগরজীবনের মিল রয়েছে।

5 views

Related Questions