1 Answers
উদ্দীপকে বর্ণিত অবস্থার সাথে মিশরীয় সভ্যতার অববাহিকার মিল পাওয়া যায়।
মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল নীল নদকে কেন্দ্র করে। প্রাচীনকালে প্রতিবছর নীল নদে বন্যা হতো। বন্যার পর পানি সরে নীল নদের দুই তীরে পলিমাটি পড়ে জমি উর্বর হয়ে যেত। জমে থাকা পলিমাটিতে জন্মাতো নানা ধরনের ফসল। আর এই নীল নদকেন্দ্রিক কৃষি ফসল দ্বারাই মিশরীয়দের জীবিকা নির্বাহ হতো।
উদ্দীপকে বর্ণিত বাংলাদেশের অবস্থাও মিশরীয় সভ্যতার নীল নদের অববাহিকার মতোই। কেননা নদীমাতৃক বাংলাদেশেও প্রায় প্রতিবছরই বন্যায় নদীর তীরবর্তী এলাকা প্লাবিত হয়। বন্যার পানি নেমে গেলে তীরবর্তী এলাকায় পলি জমে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। আর এই উর্বর জমিতে এদেশের কৃষকরা প্রচুর ফসল উৎপাদন করে সমৃদ্ধি লাভ করে। তাই বলা যায়, বাংলাদেশের নদীকেন্দ্রিক উক্ত অবস্থাটির সাথে নীল নদকেন্দ্রিক মিশরীয় সভ্যতার অববাহিকার মিল রয়েছে।