1 Answers

উদ্দীপকে বর্ণিত পোশাক-পরিচ্ছদের সাথে প্রাচীন বাংলার মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

প্রাচীন বাংলার সামাজিক জীবন বেশ বৈচিত্র্যময় ছিল। তবে পোশাক- পরিচ্ছদের ব্যাপারে রাজা-মহারাজা ও ধনীদের কথা বাদ দিলে বিশেষ কোনো আড়ম্বর তখন ছিল না। বাংলার পুরুষ ও নারীরা ধুতি ও শাড়ি পরত। পুরুষেরা কখনো কখনো গায়ে চাদর আর মেয়েরা ওড়না পড়ত। তবে উৎসব-অনুষ্ঠানে বিশেষ পোশাকের ব্যবস্থা ছিল।

উদ্দীপকের বর্ণনায় দেখা যায়, ববিতা ব্যানার্জী বিয়ের অনুষ্ঠানে তুলার তৈরি কাপড়, সোনার ব্রেসলেট, রুপার নূপুর, গলায় সোনার হার ও মাথায় ওড়না পড়েছেন। তার পোশাক-পরিচ্ছদ বাংলার প্রাচীন আমলকে নির্দেশ করে। কেননা, ঐ আমলে সাধারণ মানুষের জীবন আড়ম্বরপূর্ণ না থাকলেও বিভিন্ন উৎসব-অনুষ্ঠানে নারী-পুরুষ উভয়ের অলঙ্কার ব্যবহারের রীতি ছিল। তারা কানে কুণ্ডল, গলায় হার, আঙ্গুলে আংটি, হাতে বালা ও পায়ে মল ব্যবহার করত। তবে হাতে শঙ্খের বালা পড়ত শুধু মেয়েরা। তাদের অনেকে চুড়ি পড়তে ভালোবাসত। ধনীরা মণি-মুক্তা ও সোনা-রূপার দামি অলঙ্কার ব্যবহার করত। মেয়েদের সাজসজ্জায় আলতা, সিঁদুর ও কুমকুমের ব্যবহারও তখন প্রচলিত ছিল। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত পোশাক- পরিচ্ছদের সাথে প্রাচীন বাংলার পোশাক-পরিচ্ছদের সাদৃশ্য রয়েছে।

6 views

Related Questions