1 Answers
উদ্দীপকে উল্লেখিত অনুষ্ঠানগুলোর সাথে মধ্যযুগের রীতিনীতির মিল রয়েছে।
মধ্যযুগের মুসলমানরা কতগুলো সামাজিক উৎসব পালন করত। এগুলো এখনও মুসলমানরা পালন করে। যেমন- নবজাত শিশুর নামকরণকে কেন্দ্র করে 'আকিকা' নামক বিশেষ অনুষ্ঠান পালন করা হয়। এছাড়া 'খতনা' অনুষ্ঠান মুসলমান সমাজের অতি পরিচিত সামাজিক উৎসব। বিয়েও তাদের একটি বিশেষ উৎসবমুখর অনুষ্ঠান। এছাড়া তারা মৃতদেহ সৎকার এবং মৃতের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময়ে কতগুলো ধর্মীয় ও সামাজিক রীতিনীতি পালন করে। মধ্যযুগে মুসলমানদের মতো হিন্দুরাও জন্ম, বিয়ে ও মৃত্যু উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক রীতিনীতি পালন করত। সন্তান জন্মের পর তাকে গঙ্গাজল দিয়ে ধৌত করা হতো। ষষ্ঠ দিনে ষষ্ঠী পূজার আয়োজন করা হতো। ব্রাহ্মণ শিশুর কোষ্ঠী গণনা করতেন। একমাস পর বালক উত্থান পর্ব পালন করা হতো। ছয় মাসের সময় করা হতো অন্নপ্রাশনের ব্যবস্থা। মুসলমান সমাজের মতো হিন্দু সমাজেও বিয়ে ছিল একটি উল্লেখযোগ্য সামাজিক অনুষ্ঠান।
উদ্দীপকের মদন থাপা তার মুসলিম সহপাঠীদের সাথে আকিকা, খতনা, বিয়ে ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যায়। আবার সে হিন্দু সহপাঠীদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও অংশগ্রহণ করে। মদন থাপার উপভোগ করা এই অনুষ্ঠানগুলে মধ্যযুগের আচার-অনুষ্ঠান ও রীতিনীতির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত অনুষ্ঠানগুলোর সাথে মধ্যযুগের রীতিনীতির মিল রয়েছে।