1 Answers

বিবাহোত্তর স্বামী-স্ত্রীর বসবাসের স্থানের ওপর ভিত্তি করে । পরিবার তিন ধরনের হয়। যথা- পিতৃবাস, মাতৃবাস এবং নয়াবাস পরিবার। যে পরিবারে বিবাহের পর নব দম্পতি স্বামীর পিতৃগৃহে বসবাস করে তাকে পিতৃবাস পরিবার বলে। আমাদের সমাজে এ ধরনের পরিবার দেখা যায়। ঐতিহ্যগতভাবে আমাদের সমাজে বিয়ের পর নবদম্পতি স্বামীর পিতৃগৃহেই বসবাস করে। তবে এর বিপরীতে দম্পতি যখন স্ত্রীর বাবা-মার বাড়িতে বসবাস করে তখন তার নাম মাতৃবাস রীতি যা বিশেষ পরিবেশ পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল। অর্থাৎ বিবাহের পর নবদম্পতি স্ত্রীর পিতৃগৃহে বসবাস করলে তাকে মাতৃবাস পরিবার বলে। গারোদের মধ্যে এ ধরনের পরিবার দেখা যায়। বিবাহিত দম্পতি স্বামী বা স্ত্রী কারও পিতার বাড়িতে বাস না করে পৃথক বাড়িতে বাস করলে নয়াবাস পরিবার বলা হয়। শহরে চাকরিজীবীদের মধ্যে এ ধরনের পরিবার দেখা যায়। শিল্পায়ন ও নগরায়ণের ফলে অনেকেই শহর বা শিল্প এলাকায় বিবাহোত্তর নয়াবাস জীবন কাটায়। নয়াবাস দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কেননা গ্রামের ভিটাবাড়িতে জায়গা সংকুলান না হওয়ায় বিয়ের পরে অনেকে পৃথক আবাস গড়ে তোলে। নয়াবাস রীতিতে বিবাহিত দম্পতি তাদের কারোরই বাবা-মার সঙ্গে কাটাতে হয় না। নতুন কোনো জায়গায় বসবাস করতে হয়। উদ্দীপকের সুমনও বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে নতুন বাড়িতে বসবাস করবে।

তাই বিয়ের পরে সুমনের পরিবার হবে নয়াবাস পরিবার।

5 views

Related Questions