1 Answers

আল্লাহ বলেছেন, "তোমাদের মধ্যে যার সবচেয়ে বেশি তাকওয়া আছে, সে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি সম্মানিত।” আয়েশার জীবনে উদ্দীপকে বর্ণিত কুরআনের এ বাণী অত্যন্ত তাৎপর্যবহ ভূমিকা পালন করেছে।

ইসলামি জীবন বিধানে তাকওয়া সকল সৎ গুণাবলির মূল উৎস। এটি একটি চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। মানুষের চরিত্র গঠনে এর গুরুত্ব সীমাহীন। তাকওয়া আয়েশার জীবনে সৎ গুণের সমাবেশ ঘটিয়েছে। সুন্দর চরিত্র গঠনে তাকওয়া একটি সুদৃঢ় মাধ্যম। যে মুমিনের অন্তরে তাকওয়া বিদ্যমান, সে নির্জন স্থানেও কোনো পাপকর্মে লিপ্ত হতে পারে না এবং কখনই প্রলোভনে পড়বে না। কারণ সে জানে, কোনো অবস্থায়ই আল্লাহকে ফাঁকি দেওয়া যায় না। তাই তাকওয়ার প্রভাবে আয়েশার আচরণ সুন্দর হয়েছে যাতে সকলে খুশি। মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য তাকওয়ার কোনো বিকল্প নেই। কুরআনে বলা হয়েছে, “নিশ্চয়ই আল্লাহ তাকওয়া অবলম্বনকারীদের সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন।” আয়েশা এর মাধ্যমে আল্লাহর ভালোবাসা পাবেন। হাদিসে উল্লেখ রয়েছে, "দোযখের আগুন দুটি চোখকে স্পর্শ পর্যন্ত করতে পারবে না। এর মধ্যে একটি হলো- যে চোখ আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন করে এবং অপরটি হলো- যে চোখ আল্লাহর রাস্তায় পাহারায় রত থাকে।" হাদিসটি প্রমাণ করে যে, তাকওয়া বা আল্লাহভীতি জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তিলাভের উপায়। তাই আয়েশা জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাবে এবং জান্নাত লাভ করবে।

পরিশেষে বলা যায়, মানব চরিত্রে তাকওয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। কাজেই উদ্দীপকে বর্ণিত কুরআনের বাণী “তোমাদের মধ্যে যার সবচেয়ে বেশি তাকওয়া আছে সে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি সম্মানিত" আয়েশার জীবনে বাস্তব হয়ে উঠেছে।

4 views

Related Questions