1 Answers
সুমন সালাত আদায় করে। সালাত একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম।
ইসলামের মূলভিত্তি ৫টি। সালাত তন্মধ্যে দ্বিতীয়। মহানবি (স.) বলেন, সালাত দ্বীনের ভিত্তি। অন্যত্র তিনি বলেন, সালাত জান্নাতের চাবি। সালাত আদায় করতে গিয়ে বান্দা দৈনিক কমপক্ষে পাঁচবার শারীরিক ও মানসিক পবিত্রতা হাসিল করে আল্লাহর সান্নিধ্যে যায়। এতে তার ইমান বৃদ্ধি পায়। কুফর ও ইমানের মাঝে সালাত পার্থক্য সৃষ্টি করে। কারণ যে ব্যক্তি নামাজ আদায় করে সে ইমানদার। আর যে নামাজ পরিত্যাগ করে তার ইমান নেই। ইমানহীন ব্যক্তি কাফির। মহানবি (স.) বলেছেন, "ইসলাম ও কুফরের মাঝে পার্থক্য হলো সালাত পরিত্যাগ করা।” সালাত আদায়ের সময় বান্দা তার উন্নত শির অবনত করে মহান আল্লাহর উদ্দেশ্যে। ফলে তার প্রতি দাসত্ব ও আনুগত্যের পরম পরাকাষ্ঠা প্রদর্শিত হয়। রাসুল (স.) বলেছেন, "নামাজ বেহেশতের চাবি।" সালাত মানুষকে পাপ-পঙ্কিলতা থেকে বাঁচিয়ে রাখে। আল্লাহ বলেছেন, “নিশ্চয় সালাত মানুষকে অশ্লীল ও খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে।" (সূরা আল-আনকাবুত : ৪৫) সালাত জামাতে আদায় করা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা। এজন্য দৈনিক পাঁচবার মসজিদে মুসলমানরা একত্রিত হয়। ফলে এক অনুপম সামাজিক ঐক্য ও সংহতি সৃষ্টি হয়। প্রতিদিন পাঁচবার একত্রে নামাজ আদায় করার ফলে মুসলমানদের মধ্যে হৃদ্যতা, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোেধ সৃষ্টি হয়। সুতরাং বলা যায়, মুমিন জীবনে সালাতের পরই সাধন তাৎপ অত্যধিক। যা মুমিনের দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ সাধন করে।