প্রান্তর জীবনের আলোকে আর্থসামাজিক ও পারিবারিক জীবনে দুর্গাপূজার তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর। (উচ্চতর দক্ষতা)
1 Answers
আলোচ্য উদ্দীপকে সবকিছু হারিয়ে দুর্গাপূজার মাধ্যমে প্রান্ত তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে।
দুর্গাপূজার সময়ে মিলনমেলার মধ্য দিয়ে ভক্তদের মধ্যে সাম্য, সৌহার্দ, প্রীতি ও মৈত্রীর বন্ধন অটুট হয়। যা নৈতিকতা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পূজার সময় মা দুর্গা মর্ত্যে আবির্ভূত হন। প্রান্ত তাঁর কাছ থেকে শক্তি, সাহস, জ্ঞান ও সম্পদ অর্জনের এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রেরণা লাভ করে। দুর্গা সকল ধরনের অত্যাচার, অবিচার ও অন্যায়ের প্রতিরোধকারী। দেবী সত্য, শান্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করেন। অন্যায়কারীকে ধ্বংস করে অন্যায় ও অবিচারের পথ পরিহার করার শিক্ষা দেয়। ফলে সবার মধ্যে আত্মসচেতনতাবোধ সৃষ্টি হয়। সকল সম্প্রদায়ের মানুষ দুর্গাপূজায় স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করে, শুভেচ্ছা বিনিময় করে যা সমাজে ঐক্যের প্রতীক। দুর্গোৎসবের মধ্য দিয়ে ঘটে সাম্প্রদায়িক - সম্প্রীতির মেলাবন্ধন। দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজাসংখ্যা পত্রপত্রিকা প্রকাশ, মন্ডপ পরিক্রমা, শারদ পুরস্কার বিতরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠান, শিল্পপ্রদর্শনী, দান ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড করা হয়ে থাকে। দুর্গাপূজার মাধ্যমে মানুষের মনে ভালো ও খারাপের পার্থক্য সৃষ্টি হয়। আর এভাবে দুর্গাপূজা সামাজিক ও পারিবারিক জীবনে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখে।