1 Answers
প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে পরিবার-পরিজন হারিয়ে সর্বস্বান্ত দেবাশীষের কাছে বেঁচে থাকার শক্তি ও প্রেরণা হচ্ছেন দেবীদুর্গা। সে সকল প্রকার নিয়মকানুন মেনেই দুর্গাপূজার আয়োজন করবে। মূলত দুর্গাপূজা বছরে দুবার হয়- আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষে শারদীয় দুর্গাপূজা ও চৈত্রমাসের শুক্লপক্ষে বাসন্তীপূজা করা হয়ে থাকে। আশ্বিনের ৬ষ্ঠী তিথিতে বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মাধ্যমে দুর্গাপূজা শুরু হয়। সপ্তমী পূজায় মন্ত্র উচ্চারণের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাসহ সকল প্রতিমার প্রাণ-প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর নবপত্রিকা প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর পরদিন মহা অষ্টমী পূজা। এদিনে দুর্গা মহিষাসুরকে বধ করেছিলেন। এদিনে বিধিসম্মতভাবে অষ্টমীবিহিত পূজা করে দেবীদুর্গার কৃপা প্রার্থনা করা হয়। পরদিন নবমী পূজা করা হয়। অষ্টমী ও নবমী তিথির সন্ধিক্ষণে ১০৮টি মাটির প্রদীপ জ্বেলে সন্ধিপূজা করা হয়। এর পরদিন বিজয়া দশমী। দশমী তিথিতে দশমীবিহিত দুর্গাপূজা করা হয় এবং বিসর্জনের মাধ্যমে পূজা সমাপ্ত হয়।
উপরিউক্ত কারণে সকল নিয়ম অনুসরণপূর্বক দেবাশীষ দুর্গাপূজার আয়োজন করবে।