1 Answers

শ্রীকৃষ্ণ ভগবানের অবতাররূপে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মানুষের জন্ম-মৃত্যুর ব্যাখ্যা দেন। শ্রীকৃষ্ণের উপদেশ বাণী থেকে মানবজাতি আত্মার মুক্তি লাভের চেষ্টা করে। হিন্দুরা বিশ্বাস করে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের নাম নিলে তিনি খুশি হন আর তাতে পুণ্য হয়। এজন্য জাতি-বর্ণ নির্বিশেষে শ্রীকৃষ্ণের নামযজ্ঞানুষ্ঠানে একত্রিত হয়ে বিভিন্ন সুরে, ছন্দে, তালে কৃষ্ণনাম জপ করে এবং কৃষ্ণনামের কীর্তন করে। তাই ধর্মীয় দিক থেকে নামযজ্ঞানুষ্ঠান খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

অপরদিকে, পারিবারিক জীবনে মানুষ অনেক দুঃখ-কষ্ট পেয়ে থাকে। যেমন অর্জুন তার সাজানো-গোছানো পরিবারকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে। সে নামযজ্ঞানুষ্ঠানে যায় এবং শ্রীকৃষ্ণের নামকীর্তন করে সে তার দুঃখ, কষ্ট, যন্ত্রণা থেকে পরিত্রাণ লাভ করে। তার হৃদয়ে শান্তি ফিরে আসে। সে আবার নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখে।

এছাড়া সামাজিকভাবেও নামযজ্ঞানুষ্ঠানটি তাৎপর্য বহন করে। এ অনুষ্ঠান উপলক্ষে মানুষ দূরদূরান্ত থেকে আসে এক উদ্দেশ্য নিয়ে যার ফলে মানুষের মধ্যে মিলনমেলা তৈরি হয়। অর্জুনের মতো নানা জাতি, বর্ণের মানুষ সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে একাত্ম হয়ে যায়। একে অপরের সাথে মনের দুঃখ-সুখের বিনিময় করে। যার কারণে সামাজিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়।

সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় যে, ধর্মীয়, সামাজিক ও পারিবারিক জীবনে নামযজ্ঞানুষ্ঠানটি তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

5 views

Related Questions