1 Answers
মেয়র সুদর্শন চৌধুরীর অর্থাৎ সম্রাট অশোকের কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্য ছিল বুদ্ধের কল্যাণকর বাণীর প্রতি এলাকাবাসীদের আকৃষ্ট করা। সম্রাট অশোকের অবদান বৌদ্ধধর্মের ইতিহাসে তাৎপর্যপূর্ণ।
সেবা ও কল্যাণের ব্রত নিয়ে তিনি রাজ্যে ভ্রমণের ব্যবস্থা করতেন। এটিকে ধর্মযাত্রা বলা হতো। ধর্মযাত্রার সময় তিনি ভারতের বিভিন্ন স্থান থেকে বুদ্ধের পবিত্র অস্থিধাতু সংগ্রহ করেন। তারপর চুরাশি হাজার স্তূপ নির্মাণ করে সেগুলো সমগ্র ভারতবর্ষে সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেন। এর উদ্দেশ্য ছিল সারা দেশের মানুষকে গৌতম বুদ্ধের অমিয় বাণীর প্রতি আকৃষ্ট করা।
সম্রাট অশোকের একটি উল্লেখযোগ্য অবদান ছিল তৃতীয় বৌদ্ধ সঙ্গীতির আয়োজন। এই সঙ্গীতি অনুষ্ঠিত হয় সম্রাট অশোকের রাজ্যের রাজধানী পাটালিপুত্রে। এই সঙ্গীতির মাধ্যমে বৌদ্ধসঙ্ঘ কলুষমুক্ত হয় এবং প্রকৃত বুদ্ধবাণী সংকলিত করে ধর্মদূতের মাধ্যমে তা দেশ-বিদেশে প্রচার করা হয়।
অশোক তাঁর পুত্র মহেন্দ্র ও কন্যা সঙ্ঘমিত্রা বুদ্ধবাণী সিংহলে প্রচার করেন। সিংহলের রাজা তিসম সম্রাট অশোকের সম্মানে নিজেও 'দেবনাম প্রিয়' উপাধি গ্রহণ করেন।