1 Answers
আমিন সাহেব এলাকার মানুষকে ঋণ দিয়ে মূল পরিমাণের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে থাকেন। এরূপ কাজ সুদ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুদ ইসলামে হারাম বা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। আল্লাহ বলেছেন, "আর আল্লাহ ব্যবসায়কে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন।” (সূরা আল-বাকারা: ২৭৫) অন্যত্র তিনি বলেছেন, “হে ইমানদারগণ, তোমরা চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ খেয়ো না এবং আল্লাহকে ভয় কর। তাহলে তোমরা সফলকাম হতে পারবে।” (সূরা আলে-ইমরান: ১৩০) রাসুল (স.) বলেছেন, “যে ঋণ কোনো লাভ নিয়ে আসে তা-ই রিবা (সুদ)।” (জামি সগির) মুসলিম শরিফের একটি হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে, "নবি করিম (স.) সুদখোর, সুদদাতা, সুদের চুক্তি লেখক ও সুদি লেনদেনের সাক্ষীকে অভিশাপ দিয়েছেন।” (মুসলিম) মহানবি (স.) আরও বলেছেন, “সুদের সত্তর প্রকার গুনাহ রয়েছে, এর নিম্নটি হলো নিজের মায়ের সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার সমপর্যায়ের গুনাহ।”
সুতরাং আমিন সাহেব সুদজনিত গুনাহে লিপ্ত। এজন্য তার তাওবা করা এবং সুদের যাবতীয় কাজকারবার ছেড়ে দেওয়া উচিত।