1 Answers

উদ্দীপকে কমল বাবুর অনুসৃত পথের মাধ্যমে ধর্মীয় চেতনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে আমি মনে করি।

কমল বাবু ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ান। নিজের উপর ও ঈশ্বরের প্রতি প্রবল বিশ্বাস রেখেই তিনি যেকোনো কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন। উদ্দীপকের কমল বাবুর সঙ্গে পাঠ্যপুস্তকের স্বামীবিবেকানন্দের ধর্মীয় চেতনার মিল রয়েছে। স্বামী . বিবেকানন্দের মতো কমল বাবুও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ধর্ম সম্মেলনে বক্তৃতা দেন। তিনিও স্বামী বিবেকানন্দের মতো পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে হিন্দুধর্মের মূল দর্শন উপস্থাপন করেন। হিন্দুধর্ম পৃথিবীর সকল ধর্মকে সমান সত্য মনে করে। সবার লক্ষ্য এক ঈশ্বর লাভ। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে স্বামী বিবেকানন্দের মতো তার নাম ছড়িয়ে পড়ে। হিন্দুধর্ম কেবল মূর্তিপূজা করে না। সকল দেবতার পূজার মধ্য দিয়ে এক ঈশ্বরেরই আরাধনা করে। কমল বাবুও স্বামী, বিবেকানন্দের মতো মনে করতেন যে, মানুষের হৃদয়ে ঈশ্বরের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস থাকে। কেউ না দেখলেও তারা কোনো পাপ কাজে লিপ্ত হতে পারে না। কারণ স্বয়ং ঈশ্বর তাকে দেখছেন। তাই বলা যায় যে, কমল বাবুর অনুসৃত পথের মাধ্যমে ধর্মীয় • চেতনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

6 views

Related Questions

মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। সবুজ বনভূমির মাঝে দৃষ্টিনন্দন হ্রদ আর লাল ইটের তৈরি ইমারত ক্যাম্পাসকে আরও নান্দনিক করে তুলেছে। পাশাপাশি এ- ক্যাম্পাস ‘সংস্কৃতির রাজধানী' নামেও পরিচিত। এ ছাড়া প্রতি বছর শীতকাল এলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের জলাশয়গুলো অতিথি পাখিতে পূর্ণ হয়ে যায়। তাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে অতিথি পাখির ক্যাম্পাস হিসেবেও অনেকে চেনেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাসকে ভিত্তি করে নির্মিত কয়েকটি ভাস্কর্য এ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। সবুজের মাঝে কংক্রিট বা ব্রোঞ্জে তৈরি ভাস্কর্যগুলো দাঁড়িয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও ভাষা আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি হয়ে । এসব ভাস্কর্য এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস পৌছে দিচ্ছে। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, ঐতিহ্য ও চেতনাকে স্মরণ রাখতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণ করা হয় ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক'। যুদ্ধে জয়লাভ অথবা মৃত্যু – এই শপথে আবদ্ধ থেকে লড়াই করেন। যে অকুতোভয় বীর, তিনিই সংশপ্তক। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে স্থাপিত এই ভাস্কর্যটির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত, এক পা হারিয়েও রাইফেল হাতে লড়ে যাওয়া দেশমাতৃকার এক বীরসন্তানকে। ভাস্কর্যটির নির্মাতা শিল্পী হামিদুজ্জামান খান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ব্রোঞ্জের অবয়বে প্রতীকী ব্যঞ্জনায় প্রকাশ করার চেষ্টা করেছেন। আজকের প্রজন্মের কাছে ভাস্কর্যটি যে-কোনো আন্দোলন-সংগ্রামের অনিঃশেষ প্রেরণা। হিসেবে কাজ করে।
1 Answers 6 Views