1 Answers

পাঠ্যপুস্তক পাঠের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি, পাপ এবং অন্যায় থেকে রক্ষা পেতে হলে একজন মানুষ ধার্মিকতার আশ্রয় নেয় বা ধর্মজ্ঞান লাভ করে। এর মাধ্যমে সকল অন্যায় অপকর্ম থেকে নিজেকে দূরে রাখা সম্ভব হয়। উদ্দীপকে শচীন পাপ-পঙ্কিলতা থেকে মুক্তিলাভ করার জন্য ধর্মশিক্ষা গ্রহণ শুরু করে। কারণ সে জানতে পারে, "ধার্মিক ধার্মিকতার চরম অবস্থায় ব্রহ্মজ্ঞান লাভ করেন।" এখানে ধার্মিকতার চরম অবস্থা বলতে ধর্ম সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা বা ধ্যান করাকে বোঝানো হয়েছে। যার মাধ্যমে ব্রহ্মজ্ঞান লাভ সম্ভব। এর মাধ্যমে ধার্মিকের জীবাত্মা পরমাত্মার মিলন হয়ে যায় এবং ধার্মিক মোক্ষ বা চিরমুক্তি লাভ করে।

সুতরাং আমরা বলতে পারি, উদ্দীপকের শচীনকে এ পাপের পথ থেকে মোক্ষলাভ করতে হলে ধর্মজ্ঞান তথা ব্রহ্মজ্ঞান অর্জন জরুরি। কারণ ব্রহ্মজ্ঞান ছাড়া জগতে কল্যাণ সাধন এবং মোক্ষলাভ সম্ভব নয়। ধার্মিক ত্যাগের মাধ্যমে আনন্দ পান। সেবা করে তৃপ্ত হন। কোনো প্রাপ্তি তাকে অহংকারী করে না। লোভ তাকে আকর্ষণ করে না।

5 views

Related Questions