1 Answers

হ্যাঁ, আমি মনে করি উদ্দীপকের ধারণাটিকে আরও দুদিক থেকে বিবেচনা করে পরিমাপ করা যায়।

উদ্দীপকের ধারণাটি অর্থাৎ মোট জাতীয় উৎপাদন পদ্ধতিতে পরিমাপের কথা বলা আছে। এছাড়াও আয় পদ্ধতি ও ব্যয় পদ্ধতি এ দুইভাবে মোট জাতীয় উৎপাদন পরিমাপ করা হয়। উৎপাদনের উপকরণের অর্জিত আয় বিবেচনায় মোট জাতীয় উৎপাদন পরিমাপ করতে হলে উৎপাদনের উপাদানসমূহের মোট আয়ের সমষ্টি নির্ণয় 'করা হয়। ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন উৎপাদনের এ চারটি উপাদানের আয় যথাক্রমে খাজনা, মজুরি, সুদ ও মুনাফা। এক বছরে কোনো দেশের জাতীয় আয় ঐ বছরে উৎপাদনের উপাদানসমূহের অর্জিত মোট খাজনা, মজুরি/বেতন, সুদ ও মুনাফার সমষ্টি। অপরদিকে সমাজের মোট ব্যয়ের ভিত্তিতেও মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয় করা যায়। এ পদ্ধতি অনুসারে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের সমস্ত ধরনের ব্যয় যোগ করলে মোট জাতীয় উৎপাদনের আর্থিক মূল্য পাওয়া যায়। কোনো দেশের মোট আয় দুভাবে ব্যয়িত হয়- ১. ভোগ্যদ্রব্য ও সেবা কেনার জন্য এবং ২. বিনিয়োগ করার জন্য। ব্যয়কারীদের প্রধানত তিন শ্রেণিতে বিন্যাস করা যায়। যথা- দেশের সরকার, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং জনগণ। কোনো নির্দিষ্ট সময়ে, সাধারণত এক বছরে সরকারি, প্রাতিষ্ঠানিক এবং বেসরকারি ভোগব্যয় ও বিনিয়োগ ব্যয়ের সমষ্টি ঐ দেশের মোট জাতীয় উৎপাদন।

5 views

Related Questions