1 Answers

মি. থমসনের দেশে যে ধরনের সম্পদের ধারণা প্রকাশিত হয়েছে তাতে পাঠ্যপুস্তকের জাতীয় সম্পদের ধারণার প্রতিফলন ঘটেছে।

দেশের ভূগর্ভে যে প্রাকৃতিক গ্যাস, তৈল, চুনাপাথর রয়েছে, এগুলোকে প্রকৃতি প্রদত্ত জাতীয় সম্পদ বলে। মি. থমসনের দেশের ভূগর্ভে সঞ্চিত সম্পদগুলোই তাই উক্ত ধরনের অন্তর্ভুক্ত। আমরা সাধারণত অর্থ, জমিজমা, বাড়িঘর, নানারকম প্রয়োজনীয় ও স্থায়িত্বসম্পন্ন দ্রব্যসামগ্রী, স্বর্ণ-রৌপ্য এগুলোকে সম্পদ বলে থাকি। প্রকৃত অর্থে, কোনো বস্তু বা দ্রব্যকে সম্পদ বলতে হলে সে বস্তুর উপযোগ, অপ্রাচুর্য, বাহিক্যতা এবং হস্তান্তরযোগ্যতা থাকতে হবে। সম্পদকে পাঁচ শ্রেণিতে বিন্যস্ত করা যায়। এগুলো হলো- ব্যক্তিগত, একান্ত ব্যক্তিগত, সমষ্টিগত, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সম্পদ। রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের ব্যক্তিগত সম্পদ এবং সমাজের সমষ্টিগত সম্পদকে একত্রে জাতীয় সম্পদ বলে। তাছাড়া জাতির কোনো গুণবাচক বৈশিষ্ট্য যেমন- কর্মদক্ষতা, উদ্ভাবনী শক্তি, প্রযুক্তিগত জ্ঞান ইত্যাদি জাতীয় সম্পদের অন্তর্ভুক্ত।

5 views

Related Questions