1 Answers
মাননীয় পরিবেশ ও বনমন্ত্রী তার অধীনস্তদের যে সম্পদের সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন তাতে জাতীয় সম্পদের বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।
একটি দেশের সকল নাগরিকের ব্যক্তিগত সম্পদ ও সমষ্টিগত সম্পদকে একত্রে জাতীয় সম্পদ বলে। উদ্দীপকে মাননীয় পরিবেশ ও বনমন্ত্রী দেশের বড় বড় বনাঞ্চল এবং মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণের ওপর জোর দিয়েছেন। পাঠ্যপুস্তকে আমরা দেখতে পাই, সমষ্টিগত সম্পদের মধ্যে সকল জনগণ সম্মিলিতভাবে যেসব সম্পদের মালিক সেগুলো এবং রাষ্ট্রের মালিকানাধীন সকল প্রাকৃতিক ও উৎপাদিত সম্পদ অন্তর্ভুক্ত। তাই জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণ বলতে ব্যক্তিগত সম্পদ ও সমষ্টিগত সম্পদ উভয়েরই সংরক্ষণ বোঝায়। কোনো বস্তু, দ্রব্য, প্রতিষ্ঠান, সম্পত্তি, বিশেষ যত্নসহকারে রক্ষা করা ও তার তত্ত্বাবধান করাকে সংরক্ষণ বলে। ব্যক্তি সাধারণত তার নিজস্ব সম্পদ যেমন অর্থসম্পদ, ভূসম্পত্তি, স্বর্ণ-রৌপ্য, অলঙ্কার, আসবাবপত্র, নিজস্ব কলকারখানা বা শিল্প প্রতিষ্ঠান, যানবাহন ইত্যাদি নিজ স্বার্থেই বিশেষ যত্নের সাথে রক্ষণাবেক্ষণ করে। শুধু তাই নয়, সে এগুলোর উন্নয়ন করতে ও বৃদ্ধি করতেও তৎপর থাকে। এছাড়া প্রত্যেকেই নিজস্ব। সম্পদের অপচয় রোধ করতে এগুলোর তত্ত্বাবধানও করে। কোন সম্পদ কোথায় কী অবস্থায় আছে তার খোঁজখবর রাখা, সম্পদের কোনো রকম ক্ষতির কারণ ঘটলে তা রোধ করা বা দূর করা, সম্পদ নষ্ট হলে যথাসম্ভব তা পূরণ করার ব্যবস্থা নেওয়াও সংরক্ষণ কাজের অন্তর্ভুক্ত। এ সংরক্ষণ কাজ ব্যক্তিগত ও জাতীয় সম্পদের জন্য প্রযোজ্য অর্থাৎ জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ আবশ্যক।