1 Answers

আক্তার হোসেন তার বর্ণনায় গণতন্ত্রের কঠোর সমালোচনা করেছেন। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বেশকিছু সীমাবদ্ধতা বা ত্রুটি রয়েছে। প্রখ্যাত মনীষী ও দার্শনিকগণ যেমন- প্লেটো ও এরিস্টটল গণতন্ত্রকে মূর্খের ও অযোগ্যের শাসনব্যবস্থা বলে অভিহিত করেছেন। কেননা সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন হিসেবে গণতন্ত্রে নির্বাচনের মাধ্যমে অজ্ঞ, অযোগ্য ও দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে পারে। ফলে উপযুক্ত লোকের অভাবে গণতন্ত্রের উদ্দেশ্য অর্জিত হয় না এবং শাসনকার্য পরিচালনায় নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। বাস্তবে গণতন্ত্র সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসনে পরিণত হয়। সংখ্যালঘুরা আইনসভায় তাদের প্রতিনিধি প্রেরণ করতে পারে না। ফলে তাদের অভাব- অভিযোগ সম্পর্কে সরকার উদাসীন থাকে। গণতন্ত্রে বহু পরস্পর বিরোধী মত ও ধারণা দেখা যায়। এতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে মতপার্থক্য ও সংঘর্ষের সৃষ্টি হয় এবং জাতীয় সংহতি বিনষ্ট হয়। এছাড়া রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হলে জাতি দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ে এবং গণতন্ত্র অকার্যকর রূপ নেয়। উদ্দীপকে আক্তার হোসেনের সমালোচনাগুলো পাঠ্যপুস্তকে গণতন্ত্রের সমালোচনার সাথে হুবহু মিল রয়েছে। মূলত গণতন্ত্রের গুণ যেমন রয়েছে তেমন দোষও রয়েছে"।

পরিশেষে বলতে পারি, অনুন্নত দেশগুলোতে সরকারি দল নিজ দলের স্বার্থের প্রতি লক্ষ রেখে শাসনকার্য পরিচালনা করে থাকে। ফলে নিরপেক্ষতা নষ্ট হয়। এতে করে গণঅসন্তোষ দেখা দেয়।

5 views

Related Questions