1 Answers
আক্তার হোসেন যে শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন তাতে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে। আক্তার হোসেন শুধু এ শাসনব্যবস্থার দোষগুলো তুলে ধরেছেন। কিন্তু এ শাসনব্যবস্থার বেশকিছু গুণও আছে।
গণতন্ত্রে আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। গণতন্ত্র হলো দায়িত্বশীল শাসনব্যবস্থা। যে শাসনব্যবস্থায় সরকার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয় এবং জনগণের কাছে দায়িত্বশীল থাকে। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা হলো জনমত দ্বারা পরিচালিত সরকার। স্বৈরাচারী পন্থার নিয়ন্ত্রণ, দমন, নিপীড়নমূলক আচরণ এ শাসনব্যবস্থার কাম্য নয়। গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এ ব্যবস্থায় জনগণের ব্যক্তিস্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতা স্বীকৃত। ফলে তাদের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনার সৃষ্টি হয়। এ ব্যবস্থায় সরকার জনগণের সরকার হিসেবে বিবেচিত। জনগণের আস্থা হারালে এ সরকার টিকে থাকতে পারে না। এ ব্যবস্থায় ব্যক্তি তার আত্মবিকাশের সর্বাধিক সুবিধা ভোগ করে। তদুপরি গণতন্ত্র হচ্ছে কল্যাণকামী সরকার। এর মূল্য উদ্দেশ্যই হলো জনকল্যাণ বা কল্যাণ সাধন। এ শাসন ব্যবস্থায় জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। জনগণের ব্যক্তিস্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতা স্বীকৃত আছে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায়। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা জনগণের মাঝে রাজনৈতিক চেতনার সৃষ্টি করে।
তাই বলা যায়, আক্তার হোসেনের এ শাসনব্যবস্থার 'দোষের পাশাপাশি গুণও রয়েছে।