1 Answers

চৈতীর মানবতাবোধ সমাজের জন্য কল্যাণকর- এ উক্তিটি সঠিক ও যথার্থ।

মানবতাই ধর্ম। মানবতার গুণের দ্বারা মানুষের মহত্ত্ব প্রকাশ পায়। অন্যেরও উপকার হয়। সমাজের প্রত্যেকটা মানুষের মধ্যে যদি এ গুণটি থাকে তাহলে সমাজে শান্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠিত হবে। উদ্দীপকের চৈতীর মধ্যে যে মানবতাবোধ ফুটে উঠেছে তার মাধ্যমেও সমাজের কল্যাণ সম্ভব। উদ্দীপকের বর্ণনায় আমরা দেখতে পাচ্ছি, চৈতী একজন বৃদ্ধাকে শীতে কষ্ট পেতে দেখে নিজের সোয়েটার তাকে দিয়ে দেয়। এ কাজটির মাধ্যমে চৈতীর মধ্যে মানবতা গুণটির প্রকাশ ঘটেছে। এ মানবতা গুণটির মাধ্যমে সমাজের কল্যাণ সাধিত হয়। মানবতাবোধের উপস্থিতির কারণে মানুষ একে অন্যের দুঃখ-কষ্ট বুঝতে পারে। এ বোধই মানুষকে অন্যদের পাশে দাঁড়াতে উদ্বুদ্ধ করে। এ গুণটির কারণে মানুষ একে অন্যের বিপদের সময় পাশে গিয়ে দাঁড়ায়। এ গুণটির জন্য মানুষ নিরন্নকে অন্ন দিয়ে, বস্ত্রহীনকে বস্ত্র দিয়ে, আশ্রয়হীনকে আশ্রয় প্রদান করে সাহায্য করে। ফলে সমাজ থেকে দারিদ্র্য, অকল্যাণ দূর হয় এবং শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।

উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা নিঃসন্দেহে বলতে পারি যে, চৈতীর মতো অন্যদের মধ্যেও যদি এ ধরনের মানবতাবোধ জাগ্রত হয় তাহলে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। এক কথায় এ গুণটি সমাজের জন্য কল্যাণকর।

4 views

Related Questions