1 Answers
সালাত বা নামায আদায় করলে মানুষেরা মামুন সাহেবকে মুত্তাকী ও ধার্মিক বলবে। এ উদ্দেশ্য মামুন সাহেব নামায আদায় করেন। অর্থাৎ পার্থিব স্বার্থ হাসিলের নিয়তে মামুন সাহেব সালাত আদায় করেন। সেজন্য তার নামায কবুল হবে না। আর এ কারণে মামুন সাহেবকে নামায অনাদায়ের অভিযোগে অভিযুক্ত হতে হবে পরকালে।
আমরা জানি, আল্লাহ তায়ালার নিকট বান্দার আনুগত্য প্রকাশের সর্বশ্রেষ্ঠ পন্থা হলো নামায। নামাযের মাধ্যমেই আল্লাহর নিকট বান্দার চরম আনুগত্যের অভিব্যক্তি প্রকাশ পায়। নামায ইসলামের দ্বিতীয় রুকন। কালিমার পরেই নামাযের স্থান। পবিত্র কুরআনে বার বার নামায কায়েম করার হুকুম দেওয়া হয়েছে। শরিয়তের অনুমোদিত কারণ ছাড়া কোনো অবস্থাতেই নামায ত্যাগ করা যাবে না। নামায ত্যাগ করলে পরকালে যেমন বেহেশতে যাওয়ার অধিকার হারাতে হবে, তেমনি ভোগ করতে হবে জাহান্নামের কঠিন শাস্তি।
উদ্দীপকের মামুন সাহেবের নামায আদায় যেহেতু নামায অনাদায়ের অভিযোগে অভিযুক্ত, সেহেতু তাকে পরকালে বেনামাযীর ন্যায় কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে। অধিকন্তু লোক দেখানো নামাযিদের ব্যাপারে পবিত্র কুরআনে কঠোর শাস্তির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ নিয়ত ঠিক না হওয়ার কারণে মামুন সাহেবের নামায কবুল তো হবেই না, বরং পরকালে তাকে জাহান্নামের কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে।